লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত নিম্ন ও মধ্যআয়ের মানুষের। দিন দিন বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। দিশেহারা হয়ে পড়েছে মানুষ। মরিচ, পেয়াজ, মাছ, মাংস, চাল, মুরগি, ডিমসহ বেশ কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। বেশি প্রভাব পড়ছে মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষের উপর।
জনমনে আতংক বিরাজ করছে কুরবানির ঈদ সামনে রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি কি পরিমান পণ্যের দাম বৃদ্ধি হবে। অসাধু ব্যবসায়ীরা সময়, চাহিদার সুযোগ নিয়ে বিশেষ বিশেষ কিছু পণ্যকে টার্গেট করে লুটে নিচ্ছে অতিরিক্ত মুনাফা। রমজান মাসে কিছুটা কম থাকলেও পেঁয়াজ, রসুন, মসলার দাম আবার সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। নিত্যপণের মধ্যে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। বাজারে পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও রসুন, তেল, মসলাসহ শাকসবজির দামও আকাশছোঁয়া। এসব পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
নিয়মিত মনিটরিং করা হলে অনেকাংশে বাজার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। সারা বছরই নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে উদ্যোগ নিতে হবে। যারা বাজার সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের আওতায় আনা জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেবে-এমনটিই প্রত্যাশা আমাদের।