• শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে চাই সম্মিলিত উদ্যোগ সিগারেটের প্যাকেটে কিউআর কোড সংযুক্ত করার উদ্যোগে এনবিআরকে বিএনটিটিপির ধন্যবাদ জ্ঞাপন মেহেরপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘরে মাদকবাহী প্রাইভেটকার: গাঁজাসহ চালক আটক জনমত গঠনের জন্য কাজ করছে হেজবুত তাওহীদ-এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বৃষ্টিতে ডুবেছে চট্টগ্রাম, বুকসমান পানিতে মানুষের ভোগান্তি আর দুর্ভোগ ইরানে আশার আলো ছড়াচ্ছে এশীয় চিতা জাল নোটের প্রচলন রোধে নতুন আইন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী  মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে জাতিকে বিভক্ত না করার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গাংনীতে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে তিনজন আহত মেহেরপুরের উন্নয়ন ভাবনা- কবি রফিকুল ইসলাম

কথা সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের জন্মদিন আজ

ইসমাইল হোসেন, কুষ্টিয়া
Update : সোমবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩
কথা সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের জন্মদিন আজ
কথা সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের জন্মদিন আজ

“বিষাদ সিন্ধুর” রচয়িতা কথাসাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৬ তম জন্মবার্ষিকী আজ। প্রতিবছর তার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়ায় সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের বাস্তুভিটায় দুই দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসকের আয়োজনে মীর মশাররফ হোসেনের জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সোমবার (১৩ নভেম্বর) ও মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।
সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেন কুমারখালীর লাহিনীপাড়া গ্রামে ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবা মীর মোয়াজ্জেম হোসেন এলাকার সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি ছিলেন। তার মায়ের নাম দৌলতুন্নেসা। মীর মশাররফ জগনমোহন নন্দীর পাঠশালায় পড়াশুনা করেন। এরপর তিনি কুমারখালীর এমএন হাইস্কুল, কুষ্টিয়া হাইস্কুল ও রাজবাড়ী জেলার পদমদী হাইস্কুলে কিছুদিন পড়াশুনা করেন। ১৮৬০ সালে মীর মশাররফের মা দৌলতুন্নেসা মারা যান। সেই সময় মীরের বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর। এ বয়সেই তিনি সাহিত্য চর্চা শুরু করেন। সাহিত্যের সব ক্ষেত্রেই তিনি উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখে গেছেন। গল্প, উপন্যাস, নাটক, কবিতা, আত্মজীবনী, প্রবন্ধ ও ধর্ম বিষয়ক প্রায় ৩৫টি বই রচনা করে গেছেন তিনি। এরমধ্যে রত্নাবতী, গৌরী সেতু, বসন্তকুমারী, নাটক জমিদার দর্পণ, সঙ্গীত লহরী, উদাসীন পথিকের মনের কথা, মদীনার গৌরব, বিষাদসিন্ধু বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। মীর মশাররফ হোসেনের ‘আমার জীবনী গ্রন্থ’ থেকে জানা যায়, কুমারখালীর কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদার ছিলেন তার সাহিত্যগুরু। হরিনাথ মজুমদারের সম্পাদনায় প্রকাশিত ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ ও ইশ্বরচন্দ্র গুপ্তের ‘সংবাদ প্রভাকর’ নামক পত্রিকা দুটিতে মশাররফ হোসেনের সাহিত্যচর্চা শুরু হয়। গ্রামবার্তা পত্রিকায় মীর মশাররফ সাহিত্য, দর্শন বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রবন্ধ প্রকাশের পাশাপাশি অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে জমিদার ও ব্রিটিশ নীলকরদের অত্যাচারের কাহিনী প্রকাশ করেন। নীল বিদ্রোহের উপরে ‘জমিদার দর্পণসহ’ প্রায় ২৫টি গদ্য গ্রন্থ রচনা করেন মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম আধুনিক মুসলিম গদ্য শিল্পীর মর্যাদা লাভ করেন। তার সম্পাদিত ‘হিতকরী’ (১৮৯০) পত্রিকায় বাউল শিরোমনি লালন ফকিরের ওপরে প্রথম লালন জীবন দর্শন মহাত্মা লালন ফকির প্রকাশিত হয়। তার বাবা মীর মোয়াজ্জেম হোসেনসহ পরিবারের অন্য সদস্যদেরও পদমদীর নবাব বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর পদমদীতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category