• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দৌলতপুরে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ৩ সন্তানের জননী টগরী আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হওয়ায় মেহেরপুর বিজেপির শুভেচ্ছা মেহেরপুরে বেকারি ও বিরানি কারখানায় যৌথ অভিযানে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা মেহেরপুরে যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় শুনে জ্ঞান হারালেন ধর্ষণ মামলার আসামী গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন

মেহেরপুরে যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় শুনে জ্ঞান হারালেন ধর্ষণ মামলার আসামী

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
মেহেরপুরে যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় শুনে জ্ঞান হারালেন ধর্ষণ মামলার আসামী
মেহেরপুরে যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় শুনে জ্ঞান হারালেন ধর্ষণ মামলার আসামী

মেহেরপুরে মানষিক প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের মামলায় ইউপি সদস্য কলিমুদ্দিন ওরফে কালুকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দন্ডপ্রাপ্ত কলিমুদ্দিন কালু সদর উপজেলার পিরোজপুর গ্রামের আব্দুল মন্ডলের ছেলে ও পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

রবিবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে মেহেরপুর  জেলা ও দায়রা জজ আদলতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও আলী মাসুদ শেখ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন সাজাপ্রাপ্ত ইউপি সদস্য কালু। পরে তাকে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর রাতে পিরোজপুর গ্রামের মানষিক প্রতিবন্ধী এক নারী রাতের খাবার শেষে ঘরে মশারি টাঙ্গানোর সময় ইউপি সদস্য কলিমুদ্দিন কালু ঘরে প্রবেশ করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন। পরে ওই নারীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পালিয়ে যাওয়ার সময় কাউকে ঘটনা না জানানোর জন্য হুমকি দেন কলিমুদ্দিন কালু। ঘটনার তিন দিন পর ভুক্তভোগীর মা পারভীনা খাতুন বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় মেহেরপুর সদর থানায় মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আসামি কলিমুদ্দিন কালুকে দোষী সাব্যস্ত করে এ সাজা দেন।

রায়ে জরিমানার ৫ লাখ টাকা ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আসামির বর্তমান সম্পদ থেকে অর্থ আদায় সম্ভব না হলে ভবিষ্যৎ সম্পদ থেকে তা আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়। এ জন্য আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ আইনানুযায়ী বিক্রি করে অর্থ ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর মুস্তাফিজুর রহমান তুহিন এবং আসামিপক্ষে আইনজীবী ইব্রাহীম শাহীন মামলা পরিচালনা করেন।

রায় ঘোষণার পর হাতকড়া পরিয়ে কালুকে আদালত থেকে বের করে নেওয়ার সময় তিনি হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। আদালত চত্বরে বেঞ্চে শুইয়ে মাথায় পানি দেওয়া হলেও জ্ঞান না ফেরায় পুলিশ সদস্যরা তাকে পিকআপে করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category