জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এমপি বলেছেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে তাদের কর্মকান্ড দেখেছে মানুষ। যার জন্য এখন তারা জনগণের রোষানলে পড়েছে। এ কারনে জনগণ ২০০৯ সালে তাদেরকে মাত্র ৩০টা আসন দিয়েছিল। তারা প্রতিবার নির্বাচনে এসেছেন নির্বাচনকে বিতর্কিত করার জন্য। আবারো ষড়যন্ত্র চলছে। তারা বড় বড় কথা বলছে, শুধু্ই মিথ্যাচার করছে, অপপ্রচার ছাড়া তাদের কোন সক্ষমতা নেই। তারা কখনো মুক্তিযোদ্ধের কোন বিষয়কে সম্মান করে না। আলবদর, রাজাকার, আল শামস নিয়ে চলাফেরা করে। তারা গ্রেনেড হামলা করেছে। বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছে। আবার তারাই বড় বড় কথা বলছে। তারা দেশের ৫০০ জায়গায় বোমা হামলা করেছে। উদীচীর অনুষ্ঠানের বোমা হামলা করেছে। পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা করেছে।
শুক্রবার (১৩ জানুয়ারী) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জাতীয় করণের ১০ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মেহেরপুরে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, তারা বলেছিলো ১০ ডিসেম্বর সরকার পতন ঘটিয়ে দেবে। তাদের কি অর্জন আছে। কি অবদান আছে? তাদের অর্জন ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল। যা মানুষ দেখেছে, মর্মে মর্মে উপলদ্ধি করেছে। যার ফলে মাত্র ৩০টি আসন পেয়েছিল তারা। গত নির্বাচনে একটা আসনে দুইজন তিনজন করে মনোনয়ন দিয়েছে। তিনি বলেন, একটা লন্ডন থেকে একটা পল্টনের বিএনপির অফিস থেকে, একটা গুলশানের খালেদা জিয়ার বাসা থেকে। পয়সা নিয়ে তাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আমাদের গাংনীতে ও দুইটা, চুয়াডাঙ্গা তে দুইটা, কোথাও কোথাও তিনটা মনোনয়ন দিয়ে যা থেকে ব্যাপক মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে। তাদের মনোনয়ন লন্ডন থেকে আসে, পার্টি অফিস থেকে আসে, বাড়ি থেকে আসে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি কমর উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (স্থানীয় সরকার) বিভাগের উপপরিচালক মৃধা মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার রাফিউল আলম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ভূপেশ রঞ্জন রায়, জেলা বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সভাপতি প্রফেসর হাসানুজ্জামান মালেক। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, শিক্ষক নেতা ইদ্রিস আলী।