• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বাসযোগ্য নগরী গঠনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাংনীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা দৌলতপুরে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ৩ সন্তানের জননী টগরী আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হওয়ায় মেহেরপুর বিজেপির শুভেচ্ছা মেহেরপুরে বেকারি ও বিরানি কারখানায় যৌথ অভিযানে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা মেহেরপুরে যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় শুনে জ্ঞান হারালেন ধর্ষণ মামলার আসামী গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ

জনগণকে সেবা দিতে অপেক্ষায় থাকেন চেয়ারম্যান

হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
Update : বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৩
জনগণকে সেবা দিতে অপেক্ষায় থাকেন চেয়ারম্যান
জনগণকে সেবা দিতে অপেক্ষায় থাকেন চেয়ারম্যান

সেবা প্রত্যাশী জনগণ যেখানে ইউনিয়ন পরিষদে এসে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষায় থাকতেন। কখনও বা একটি স্বাক্ষরের জন্য দিনের পর দিন চেয়ারম্যানকে খুঁজে হয়রান হয়ে বেড়াতেন।

যে কারণে চেয়ারম্যানদের প্রতি অসন্তোষ্ট ছিলেন সাধারণ নাগরিকবৃন্দ। সেখানে এর উল্টো চিত্র ফুটে উঠেছে দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদে। পরিষদ কমপ্লেক্সে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চেয়ারম্যানই অপেক্ষায় থাকেন জনগণের সেবার জন্য।

নিজ ইউনিয়ন পরিষদে সেবা প্রত্যাশী জনগণের হয়রানি রোধে বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছেন তরুণ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। নাগরিক সনদপত্র, প্রত্যায়নপত্র, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ওয়ারিশ সার্টিফিকেট, ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে ই-সেবা প্রদান, ভাতা গ্রহিতাদের বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

এসব সেবা প্রদানে চেয়ারম্যান বা তার লোকজনকে কোনো প্রকার টাকা পয়সা লেনদেন করতে হয় না। উল্টো সেবা গ্রহিতাদেরকে এককাপ চা না খাইয়ে অফিস ত্যাগ করতে দেন না।

হরিণাকুণ্ডু উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকেই ইউনিয়নবাসী চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের প্রতি এমনই সন্তষ্টি প্রকাশ করছেন বলে সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে।

জনবান্ধব একজন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এমন মন্তব্য করে ইউনিয়নের বাসিন্দারা বলেন, প্রতিদিনই চেয়ারম্যান ইউনিয়ন পরিষদে নিজ কার্যালয়ে বসে থাকেন। সারাদিন অন্ততপক্ষে তাকে ১শ’ থেকে ২শ’ স্বাক্ষর করতে হয়। কারো প্রতি বিরক্ত প্রকাশ করেন না বরং সেবা গ্রহিতাদের চা আপ্যায়ন করে তারপর বিদায় দেন। কাজের সচ্ছতা ও ডিজিটাল সেবায় নাগরিক হয়রানি রোধে তিনি কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছেন। এতে তারা বর্তমান চেয়ারম্যানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এক স্বাক্ষাৎকারে চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, একটি ইউনিয়নে জনগণের নানাবিধ কাজে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরের খুব প্রয়োজন। সেখানে একটি স্বাক্ষরের জন্য কেন মানুষকে দিনেরপর দিন ঘুরতে হবে? আমি নির্বাচনের আগেই ওয়াদা করেছি, জনগণের হয়রানি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবো । নির্বাচনী সেই ওয়াদা আমি অক্ষরে অক্ষরে পালন করার চেষ্টা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category