• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বাসযোগ্য নগরী গঠনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাংনীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা দৌলতপুরে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ৩ সন্তানের জননী টগরী আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হওয়ায় মেহেরপুর বিজেপির শুভেচ্ছা মেহেরপুরে বেকারি ও বিরানি কারখানায় যৌথ অভিযানে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা মেহেরপুরে যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় শুনে জ্ঞান হারালেন ধর্ষণ মামলার আসামী গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ

মেহেরপুরে মাহিন হত্যা মামলায় ১০ বছর কারাদণ্ড

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : মঙ্গলবার, ৩০ মে, ২০২৩
মেহেরপুরে মাহিন হত্যা মামলায় ১০ বছর কারাদণ্ড
মেহেরপুরে মাহিন হত্যা মামলায় ১০ বছর কারাদণ্ড

ক্রিকেট ব্যাটের আঘাতে মেহেরপুর সদর উপজেলার খোকসা গ্রামের মাহিন (১৩) হত্যা মামলার আসামি হাজ্জাজ বিন মানিককে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ছয় মাসের জেল এর আদেশ দেওয়া হয়। আজ মঙ্গলবার (৩০ মে) দুপুরে মেহেরপুর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক রিপতি কুমার বিশ্বাস এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত হাজ্জাজ বিন মানিক আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালতের আদেশে তাকে মেহেরপুর জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। রায়ে অপর আসামি দণ্ডিত মানিকের মা হীরাজানকে খালাস দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।
জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারী বিকেলে খোকসা গ্রামে ক্রিকেট খেলছিল কিছু যুবক। তাদের সাথে ছিল শিশু মাহিন। খেলার এক পর্যায়ে মাহিনের ব্যাটে দৈবক্রমে আঘাত লাগে মানিকের গায়ে। মানিক তখন রাগান্বিত হয়ে ব্যাট কেড়ে নিয়ে শিশু মাহিনের মাথায় আঘাত করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নেওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ঘটনার পরদিন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাহিনের মৃত্যু হয়।
এদিকে নিহতের মামা মাহবুব হোসেন ওই সময় সদর থানায় হাজ্জাজ বিন মানিককে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি তদন্ত শেষে আদালতে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সদর থানা পুলিশ। অবশ্য চার্জশিটে নারাজী দিয়ে বাদির পক্ষ থেকে দাবি করা হয় এ হত্যাকাণ্ডের সাথে মানিকের মা হীরাজান জড়িত। বাদির দাবির প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে এ মামলায় হীরাজানকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে হীরাজানকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
এ মামলা পরিচালনায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত পিপি কাজী শহিদুল হক এবং আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category