• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা দৌলতপুরে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ৩ সন্তানের জননী টগরী আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হওয়ায় মেহেরপুর বিজেপির শুভেচ্ছা মেহেরপুরে বেকারি ও বিরানি কারখানায় যৌথ অভিযানে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা মেহেরপুরে যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় শুনে জ্ঞান হারালেন ধর্ষণ মামলার আসামী গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি

কুষ্টিয়ায় হোটেলে অনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনার অভিযোগে হোটেল ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ

জিয়াউর রহমান, কুষ্টিয়া
Update : রবিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৫
কুষ্টিয়ায় হোটেলে অনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনার অভিযোগে হোটেল ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ
কুষ্টিয়ায় হোটেলে অনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনার অভিযোগে হোটেল ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ

কুষ্টিয়ায় খাবার হোটেলের আড়ালে নারীদের দিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে তিনটি খাবার হোটেলে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা।  রবিবার (৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলার মহিষাডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

এসময় ইকরামুল ইসলামের ভাই ভাই হোটেল, শেকমের হোটেলসহ মোট তিনটি হোটেল ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়াও মহির আলীর চায়ের দোকান ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে

স্থানীয়রা জানান, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের ইবি থানাধীন মহিষাডাঙ্গা বিত্তিপাড়া এলাকায় খাবার হোটেলের আড়ালে নারীদের দিয়ে রমরমা দেহ ব্যবসা করা হয়। হোটেল মালিকরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন ধরে এমন অপকর্ম চালিয়ে আসছে। হোটেল মালিকদের নিষেধ করলেও তারা দেহ ব্যবসা চালিয়ে যায়। এ কারণে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা দুটি হোটেল ও একটি চায়ের দোকান ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এছাড়াও আরো একটি হোটেল ভাংচুর করা হয়েছে।

স্থানীয়রা আরো বলেন, কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের কোলঘেঁষে প্রায় অর্ধশত খাবার হোটেল গড়ে উঠেছে। ১১ মাইল থেকে শুরু করে বিত্তিপাড়া করিমপুর সংযোগ সড়ক পর্যন্ত বেশ কয়েকটি হোটেলে রমরমা দেহ ব্যবসা চলে। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না। এ কারণে এলাকার উঠতি বয়সী যুবকরা প্রতিনিয়ত বিপথগামী হচ্ছেন। স্থানীয়রা রীতিমতো তাদের সন্তানদের নিয়ে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে এমন অপকর্মের প্রতিকার চান স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য হোটেল মালিকদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, কিছুদিন আগেও এসব হোটেল থেকে চার নারীকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া হোটেল মালিকদের পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীদের হোটেলের কাজে রাখার বিষয়েও বলা হয়। রমজানে হোটেলগুলো বন্ধ ছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category