• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বাসযোগ্য নগরী গঠনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাংনীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা দৌলতপুরে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ৩ সন্তানের জননী টগরী আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হওয়ায় মেহেরপুর বিজেপির শুভেচ্ছা মেহেরপুরে বেকারি ও বিরানি কারখানায় যৌথ অভিযানে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা মেহেরপুরে যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় শুনে জ্ঞান হারালেন ধর্ষণ মামলার আসামী গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ

মেহেরপুরে তীব্র গরমে বেড়েছে তাল শাঁসের কদর

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : সোমবার, ১৫ মে, ২০২৩
মেহেরপুরে তীব্র গরমে বেড়েছে তাল শাঁসের কদর
মেহেরপুরে তীব্র গরমে বেড়েছে তাল শাঁসের কদর

বৈশাখের প্রায় শেষ সামনে মধু মাস জ্যৈষ্ঠের আগমন। বেশ কিছু দিন মৌসুমি ফল লিচু বাজারে একক রাজত্ব করলেও এখন সঙ্গী হচ্ছে তাল শাঁস। প্রতি হালি তাল শাঁস পাওয়া যাচ্ছে ২০ টাকায়।

তাল বিক্রেতা তার সুনিপূন কর্মশৈলীর মাধ্যমে কেটে কেটে তাল ফল থেকে বের করছে সুস্বাদু তাল শাঁস। কাঁচা তালের শাঁস খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার। বসন্তের শেষে ফুল ধরে ফল হয়।

তালের যে বীজও খাওয়া হয় তা তাল শাঁস নামে বেশি পরিচিত। প্রতিটি তালে দুই থেকে তিনটি শাঁস হয়। গ্রীষ্মের সময় কচি অবস্থায় তালের শাঁস ব্যাপক চাহিদা থাকে গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত।

শুধু গ্রীষ্মকালেই বাজারে কচি তাল দেখতে পাওয়া যায়। বাড়ে তাল শাঁসের কদর। মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে, রাস্তার পাশে, বিভিন্ন মোড়ে দেখা মিলছে তাল শাঁস বিক্রেতার।

তালের নরম কচি শাঁস খেতে ছোট বড় সবাই পছন্দ করে। তাই সবখানে তাল শাঁস বিক্রির ধুম পড়েছে। সব বয়সের মানুষেরা তাল শাঁস ক্রয় করছেন। নিজে খাচ্ছেন আবার পরিবারের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন। আবার বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করে তাল শাঁস নিয়ে বাড়ি ফিরছেন অনেকে।

শহরের পুরাতন বাসষ্ট্যান্ড এলাকার বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে তাল শাঁস বিক্রি করছেন হামিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, অন্য পেশায় থাকলেও প্রতি বছরের এই সময়ে তিনি তাল শাঁস বিক্রি করি। এক হালি তাল শাঁস ২০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে।

প্রতিদিন ৩’শ থেকে ৪’শ পিস তালের শাঁস বিক্রি হয়। আমার পরিবারের আরও দুইজন সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের কাছে তাল শাঁস বিক্রি করছে। তালের সিজন আসার সাথে সাথে গাছ মালিকদের সাথে গাছ কিনে রাখি। পরে সুবিধামত সময়ে গাছ থেকে তাল পেড়ে শহরে এনে বিক্রি করি।

তাল শাঁস ক্রেতা সমরেশ বলেন, আমার বাড়ি যাওয়ার মোড়েই তাল শাঁস বিক্রি করে। প্রায়ই আমি কিনে খাই। নরম শাঁস খেতে অনেক ভালো লাগে।

গৃহিণী প্রীতি বলেন, ছেলে মেয়েরা তালের শাঁস খেতে চাওয়ায় তাই কিনছি। প্রতিটি তালের শাঁস ৫ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। মাঝেমধ্যেই কিনে বাড়িতে নিয়ে যায়।

তালের শাঁসকে নারিকেলের মতই পুষ্টিকর বলে বিবেচনা করা হয়। এটি খেতে খুবই সুস্বাদু। এতে প্রচুর পরিমাণ পানিও থাকে। যা অনেকটা ডাবের পানির মতো। এতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, ফাইবার এবং খনিজ উপাদান থাকে। পুষ্টিবিদদের মতে, ডাবের পানি এবং তালের শাঁসের গুণাগুণ একই রকমের। দুইটিই খোলসের ভিতরে থাকে। ডাবের পানির পুরোটাই তরল, অন্যদিকে তালের শাঁসে কিছুটা শক্ত অংশ থাকে। মিষ্টি স্বাদের কচি তালের শাঁস শুধু খেতেই সুস্বাদু নয় বরং পুষ্টিতেও অনেক ভরপুর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category