ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে জুলাই ঘোষণা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, জাতীয় নির্বাচনে পিপিআর পদ্ধতি চালুসহ ৫ দফা দাবিতে এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার বিকাল ৫টায় হরিনাকুণ্ডু প্রিয়নাথ স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী হরিনাকুণ্ডু উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে দলটির উপজেলা শাখার আমীর মাস্টার বাবুল হোসেনের সভাপতিত্ব এবং সেক্রেটারী মাস্টার ইদ্রিস আলীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আমীর এবং ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আলী আজম মোঃ আবু বকর।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সেক্রেটারী অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল এবং জেলা সহকারী সেক্রেটারী মাওঃ তাজুল ইসলাম।
এছাড়া অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নায়েবে আমীর কুতুব উদ্দীন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহার হোসাইন, সাবেক নাজেম মাস্টার মকবুল হোসেন, বায়তুলমাল সম্পাদক মাস্টার হাসেম আলী, পৌর আমীর শফি উদ্দীন, রবিউল আলম, ডা. আরমান আলী, মাওঃ আব্দুল মুজিদ, সাদিকুর রহমান প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলার একটি পৌরসভা এবং আটটি ইউনিয়নের জামায়াত এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অতিথিবৃন্দ বক্তব্যে ৫ দফা দাবি উপস্থাপন করে বলেন, ১- জুলাই সনদের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন, ২- জাতীয় নির্বাচনে পিপিআর পদ্ধতি চালু, ৩- সকল রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণ, ৪- বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম, নির্যাতন ও গণহত্যার বিচার করা, এবং ৫- শেয়ার বাজার ধসের জাতীয় পার্লামেন্টারি তদন্ত ও পূর্বে ঘোষিত ১৪ দফা কার্যকর করা। বক্তারা অন্তবর্তী সরকারের কাছে অভিযোগ করে বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের মানুষের উপর জুলুম, নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়েছে। এ সকল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার কার্যকর না হলে জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা হবে। পাশাপাশি জুলাই অভ্যুত্থানের হামলার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলীয় জোটের শরীক সকল দলের নিবন্ধন বাতিলের দাবি উত্থাপন করেন।
সমাবেশ শেষে জেলা উপজেলা নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে একটি দীর্ঘ মিছিল প্রিয়নাথ স্কুল এন্ড কলেজ মাঠ হতে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একতারার মোড় হয়ে সালেহা বেগম মহিলা ডিগ্রি কলেজ গেটে যেয়ে সমাপ্ত হয়। মিছিলে দলীয় প্রতীক দৃষ্টি নন্দন দাঁড়িপাল্লাসহ জাতীয় পতাকা বহন করে পাঁচ দফা দাবী সম্বলিত শ্লোগানে শ্লোগানে হরিনাকুণ্ডুর রাজপথ প্রকম্পিত হয়ে উঠে।