• রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিংয়ে ধোঁয়াবিহীন তামাকে রাজস্ব বাড়বে ছয়শত গুণ!

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিংয়ে ধোঁয়াবিহীন তামাকে রাজস্ব বাড়বে ছয়শত গুণ!
স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিংয়ে ধোঁয়াবিহীন তামাকে রাজস্ব বাড়বে ছয়শত গুণ!

ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত দ্রব্য তথা জর্দা-গুল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কৌশলে হাজার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। দেশে ধোঁয়াযুক্ত তামাকের তুলনায় ধোঁয়াবিহীন তামাকের ব্যবহারীর সংখ্যা ৩০ লক্ষ বেশি হলেও রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ধোঁয়াযুক্ত তামাক অপেক্ষা ছয়শত গুণ কম রাজস্ব আয় হচ্ছে ধোঁয়াবিহীন তামাক থেকে। তাই ধোঁয়াবিহীন তামাকের রাজস্ব ফাঁকি রোধে এর স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং অত্যন্ত জরুরী। জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এই ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত দ্রব্যের স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং নিশ্চিতের দায়িত্ব কার? পণ্যের মোড়কজাতকরণ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিএসটিআই ধোঁয়াবিহীন তামাকের স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিংয়ের দায়িত্ব নিতে রাজি নন। ধোঁয়াবিহীন ও ধোঁয়াযুক্ত তামাকজাত দ্রব্যের মোড়ক নিয়ন্ত্রণে কোন সংস্থা দায়িত্ব না নেওয়ায় কোম্পানীগুলো হাজার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকিসহ তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন লংঘনের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি করে আসছে। তামাকজাত দ্রব্যের স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং প্রবর্তন ও যথাযথ মনিটরিং করা হলে রাজস্ব বৃদ্ধি এবং মোড়কে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবানীর যথাযথভাবে নিশ্চিতে জনস্বাস্থ্য রক্ষা হবে।

উপরোক্ত বিষয়ের উপর গুরুত্বারোপ করে আজ রবিবার বিকালে টোব্যাকো কন্ট্রোল এন্ড রিসার্চ সেল (টিসিআরসি), ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা) আয়োজিত “রাজস্ব বৃদ্ধি ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত দ্রব্যের স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং এর প্রয়োজনীয়তা”শীর্ষক এক ওয়েবিনারের বক্তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

টিসিআরসির সদস্য সচিব সহযোগী অধ্যাপক মোঃ বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সাবেক সমন্বয়কারী (অব: অতিরিক্ত সচিব) হোসেন আলী খোন্দকার। বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক, এইড ফাউন্ডেশনের প্রকল্প পরিচালক শাগুফতা সুলতানা, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের হেড অব প্রোগ্রামস সৈয়দা অনন্যা রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি গবেষণা ব্যুরোর প্রকল্প ব্যবস্থাপক হামিদুল ইসলাম প্রমুখ। টিসিআরসির প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ জুলহাস আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন টিসিআরসির প্রকল্প সমন্বয়কারী ফারহানা জামান লিজা। এছাড়াও তামাক নিয়ন্ত্রণে কার্যরত বিভিন্ন সংগঠনের কর্মীবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হোসেন আলী খোন্দকার বলেন, তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারকারীদের সেবন থেকে ফিরিয়ে আনতে অন্যতম একটি টুলস হবে স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং। দেশের সার্বিক তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের প্রতিপক্ষ হলো তামাক কোম্পানী। ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত দ্রব্যের বাজার খুবই অনিয়ন্ত্রিত। ধোঁয়াবিহীন তামাকের মোড়কজাতকরণে নির্দিষ্ট নির্দেশনা না থাকায় কোম্পানীগুলো রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবানী প্রদান না করায় ভোক্তারা স্বাস্থ্যক্ষতি সম্পর্কে অবহিত হচ্ছেনা। স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং নিশ্চিতের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব বাড়বে। একই সাথে স্বাস্থ্য ক্ষতি সম্পর্কে সচেতন হয়ে ভোক্তা পর্যায়ে তামাকের ব্যবহার কমানো সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category