• রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

সাপে কামড়ানো প্রতিরোধে গাংনীতে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
সাপে কামড়ানো প্রতিরোধে গাংনীতে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত
সাপে কামড়ানো প্রতিরোধে গাংনীতে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

সাপে কামড়ানো প্রতিরোধ এবং এ বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মেহেরপুরে জনসচেতনতামূলক সভা করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। শনিবার (১ আগস্ট) গাংনী উপজেলার সাহারবাটি কমিউনিটি ক্লিনিকে এ আয়োজন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. একরামুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মফিজুর রহমান।

সভায় বক্তারা বলেন, বর্ষা মৌসুমে সাপে কামড়ানোর ঘটনা তুলনামূলকভাবে বেড়ে যায়। এ সময় মাঠে-ঘাটে, কৃষিকাজে কিংবা বাড়ির আশপাশে চলাচলের ক্ষেত্রে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সাপের কামড়কে অবহেলা না করে আক্রান্ত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। সময়মতো চিকিৎসা পেলে অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন।

বক্তারা আরও বলেন, সাপে কামড়ানোর পর অনেকেই এখনও ওঁঝা, কবিরাজ বা ঝাড়ফুঁকের ওপর নির্ভর করেন। এতে মূল্যবান সময় নষ্ট হয় এবং রোগীর জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই কুসংস্কার পরিহার করে আধুনিক চিকিৎসার ওপর আস্থা রাখতে হবে। সাপে কামড়ানোর পর আক্রান্ত ব্যক্তিকে শান্ত রাখতে হবে, অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া কমাতে হবে এবং দ্রুত চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছে দিতে হবে। হাত বা পায়ে শক্ত করে বাঁধা, ক্ষত কেটে রক্ত বের করা কিংবা বিষ চুষে বের করার মতো ভুল পদ্ধতি থেকে বিরত থাকারও আহবান জানানো হয়।

আলোচনায় অংশ নিয়ে অতিথিরা বলেন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, গ্রাম পর্যায়ে প্রচারণা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে সাপে কামড়ানোর কারণে মৃত্যু ও জটিলতা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। এ বিষয়ে স্কুল-কলেজ, কমিউনিটি ক্লিনিক এবং স্থানীয় সামাজিক সংগঠনগুলোকেও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সময় গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মাসুদুর রহমান, চিকিৎসক ডা. সামিয়া সুলতানা, ডা. ইশতিয়াক আহমেদ মাসুম. সাহারবাটি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আসমা তারা, কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি নাহিদা আক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, গ্রাম্য চিকিৎসক, ওঁঝা, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে উপস্থিত স্থানীয়দের মধ্যে সাপে কামড়ানোর পর করণীয় বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হয় এবং সবাইকে সচেতন থেকে অন্যদেরও সচেতন করার আহবান জানান বক্তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category