• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার গাংনীতে উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ের নিচে ব্যাগ দেখে বোমা আতঙ্ক: ব্যাগে মিলল গমের ময়দা

মেহেরপুরে সেবিকাসহ ওয়ার্ড বয়কে মারধর পুলিশের সামনেই ভাংচুর করলো চেয়ারম্যানের ভাই

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩
মেহেরপুরে সেবিকাসহ ওয়ার্ড বয়কে মারধর পুলিশের সামনেই ভাংচুর করলো চেয়ারম্যানের ভাই
মেহেরপুরে সেবিকাসহ ওয়ার্ড বয়কে মারধর পুলিশের সামনেই ভাংচুর করলো চেয়ারম্যানের ভাই

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে স্টাফদের মারধর ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডে আলী হোসেন (৭০) নামের এক ভর্তি রোগীর স্বজনরা এ ঘটনা ঘটায়। হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ জমির মোঃ হাসিবুস সাত্তারের দাবি, পুলিশের সামনেই এ ঘটনা ঘটলে নিরব ভূমিকা পালন করেন তারা। দুপুরেই হাসপাতালের সকল চিকিৎসক, সেবিকা ও স্টাফদের নিয়ে জরুরী বৈঠক করা হয়েছে।
হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার নাজমা খাতুন জানান, মেহেরপুর সদর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আলী হোসেন নামের এক রোগী স্ট্রোকজনিত কারণে হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডে ভর্তি হয়। সোমবার সকালে ঐ ওয়ার্ডে চিকিৎসকরা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছিলেন। এ সময় হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ আব্দুর রশীদ আলী হোসেনের স্ত্রীকে বাইরে যেতে বলেন। অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি বাইরে যেতে রাজি হননি। এ সময় হাসপাতালের চিকিৎসক, সেবিকা ও অন্যান্য স্টাফদের সাথে বাক বিতন্ডতা শুরু হয়। এক পর্যায়ে আলী হোসেনের ছেলে আনোয়ার হোসেন নিশানের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। হাসপাতালের সকল স্টাফ তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে একটি কক্ষে আটকিয়ে রাখে। খবর দেয়া হয় পুলিশে। এ সময় আনোয়ার তার চাচাতো ভাই শ্যামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানকে খবর দেয়। তার পরপরই শ্যামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের ভাই উদ্যোক্তা রফিকুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন বহিরাগত হাসপতালে প্রবেশ করে। এ সময় পুলিশের এস আই তৌহিদেও সামনেই হাসপতালের ওয়ার্ড মাস্টার সেলিমসহ বেশ কয়েকজনকে মারধর করা হয়। হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ জমির মোঃ হাসিবুস সাত্তারের উপস্থিতিতে ভাংচুর করা হয় হিসাবরক্ষকের টেবিল। হামলার সময় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও কোন ভূমিকা নেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তত্বাবধায়ক ডাঃ জমির মোঃ হাসিবুস সাত্তার বলেন, হাসপাতালের স্টাফদের উপর হামলা এই প্রথম নয়। এর আগেও বেশ কয়েকবার ঘটেছে। দৃষ্টান্ত মূলক কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় বার বার এমন ঘটনা ঘটছে। আবারও একই ঘটনা ঘটলো। বিষয়টি নিয়ে আমরা শঙ্কিত। হাসপাতলের সকল চিকিৎসক, সেবিকা ও স্টাফদের নিয়ে একটি জরুরী বৈঠক করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালের আবারও সবার সাথে বসে পরবর্তি সীদ্ধান্ত নেয়া হবে।
শ্যামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান বলেন, উভয়ের মাঝে ছোট্ট একটি ভূলবোঝাবুঝির কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে সবার কাছে ক্ষমা প্রর্থণা করা হয়েছে।
কেন পুলিশের উপস্থিতিতে এ হমলা হলো এমন প্রশ্নের জবাবে এস আই তৗহিদ বলেন, খবর পাওয়ার পর আমি একাই ঘটনাস্থলে আসি। কোন ফোর্স না থাকায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category