• রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

মেহেরপুরে মোটরসাইকেল চোরকে গণধোলায় শেষে পুলিশে সোর্পদ

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৩
মেহেরপুরে মোটরসাইকেল চোরকে গণধোলায় শেষে পুলিশে সোর্পদ
মেহেরপুরে মোটরসাইকেল চোরকে গণধোলায় শেষে পুলিশে সোর্পদ

মেহেরপুরে মোটরসাইকেল চুরি করতে গিয়ে জনতার কাছে হাতেনাতে ধরা পড়লো তিন চোর। এ সময় তাদের গনপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (৩জানুয়ারী) দুপুরের দিকে সদর উপজেলার কাঁঠালাপোতা গ্রামের একটি মাঠে এ ঘটনা ঘটে। তারা হলো ঝিনাইদহ জেলার মহেষপুর উপজেলার চরকোলা গ্রামের ঠান্ডু মিয়ার ছেলে অপু মিয়া (১৯), সদর উপজেলার চরকোলা গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে বকুল হোসেন (৪২) ও একই উপজেলার পাগলাকানাই গ্রামের সেকেন্দের আলীর ছেলে আনিছ (৩৬)।
স্থানীয় ইউপি সদস্য কালু মিয়া জানান, গেল কয়েক দিন আগে কাঠাঁলপোতা গ্রাম থেকে একটি ডিসকভারি ১২৫ সিসি মোটরসাইকেল চুরি হয়ে যায়। যা সিসিটিভিতে স্পস্ট দেখা যায়। আজ তারা আবারও গ্রামের মাঠে এসে একটি মোটরসাইকেলের তার খোলার চেষ্টা করে। এ সময় দেখে ফেলে স্থানীয়রা। তাদের ধাওয়া করে তারা। তাদের চিকৎকারে আশপাশের লোকজন তাদের ঘিরে ফেলে। এসময় লাফ দিয়ে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে ঐ তিন চোর। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে তাদের মোটরসাইকেল চোর বলে সনাক্ত করে এলাকাবাসী। পরে তাদের গনপিটুনি দেওয়া হয়। এতে তারা মারাত্মক আহত হয়। ঘটনাস্থলে যায় সদর থানা পুলিশের একটি দল। তাদের তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। পুলিশ তাদের নিয়ে এসে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মেহেরপুর সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঝিনাইদহ থানায় তাদের বিরুদ্ধে চুরি ও মাদকের একাধীক মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বেশ কিছুদিন যাবৎ জেলায় মোটরসাইকেল চুরি বেড়ে গেছে। ইতোমধ্যে সদর থানায় মোটরসাইকেল চুরির দু’টি মামলা রয়েছে। এছাড়াও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ চক্রটিকে ধরার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর মোটরসাইকেল চুরির অনেক তথ্য পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category