• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দৌলতপুরে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ৩ সন্তানের জননী টগরী আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হওয়ায় মেহেরপুর বিজেপির শুভেচ্ছা মেহেরপুরে বেকারি ও বিরানি কারখানায় যৌথ অভিযানে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা মেহেরপুরে যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় শুনে জ্ঞান হারালেন ধর্ষণ মামলার আসামী গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন

মেহেরপুরে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫
মেহেরপুরে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন
মেহেরপুরে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

মেহেরপুরে বসত বাড়ির দ্বিতীয় তলা নির্মাণ কাজে বাঁধা দেওয়ায় সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছে নুর ইসলাম নামের এক ব্যক্তি। রবিবার (২৪ আগষ্ট) সকাল ১০টার দিকে তার নিজ বাড়ির সামনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। নুর ইসলাম নতুন শেখ পাড়ার বাসিন্দা।

নুর ইসলাম তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ২১ আগষ্ট আমার নামে বাড়ি নির্মাণ কাজে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করে শারমিন সুলতানা নামের এক নারী। শারমিন সুলতানা আমার সম্পর্কে সাংবাদিকদের যে তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তা মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও বানোয়াট কথা বলেছে।

শারমিন, লিপি আক্তার, মিঠুন এবং রিমা খাতুন আমাকে হুমকি-ধামকি দেয়। রিমা বলে আমাদের পরিবারে আমার স্বামী, ভাই, দুলাভাই, চাচাসহ অনেকে পুলিশে চাকরি করে। সেজন্য তারা ক্ষমতা দেখায়। শারমিনের স্বামী মিঠুন ফেসবুকে বিভিন্ন সময় আপত্তিকর বক্তব্য প্রচার করে যা মানহানিকর।

তারা পৌরসভার প্লান মোতাবেক বাড়ি নির্মাণ না করাই পৌরসভাতে আমি লিখিত অভিযোগ করি। অভিযোগ করার কারণে তারা আমাকে হুমকি-ধামকি দেয় এবং গালিগালাজ করে। এছাড়াও তার আত্মীয় স্বজন পুলিশে চাকরি করে এবং আমাকে দেখে নেবে বলেও হুমকি দেয়। এ বিষয়ে আমি সদর থানায় একটি জিডি করি। যার নং-১৫৭৮।

পৌরসভা আমাদের উভয়পক্ষকে মীমাংসার জন্য ডাকে কিন্তু তারা পৌরসভার আদেশ অমান্য করে বাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু করে। অবশেষে আমি বিজ্ঞ আদালতের আশ্রয় গ্রহণ করি। আদালত থানার মাধ্যমে ১৪৫ ধারা জারি করে।

আদালত নির্দেশ দেয় মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকবে। পরে সদর থানার এসআই দেবদাস মন্ডল এসে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়। তার বাড়ি নির্মাণ করার সময় বাড়ির পিলার সঠিক জায়গায় থাকলেও উপরের ছাদ ১৮ ইঞ্চি বাড়িয়ে দিয়েছে। যা আমার সীমানার কাছাকাছি চলে এসেছে।

আমি এই ঘটনার সুষ্ঠ সমাধান চাই এবং আদালতের মাধ্যমে এর সমাধান চাই। আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবে সেটিই আমি মেনে নেব।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category