পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার ৯টি ইট ভাটায় অভিযান চালিয়ে ১৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করাসহ আয়ান ব্রিকস নামের একটি ইট ভাটার আংশিক ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই অভিযান চালানো হয়।
খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসিফুর রহমানের নেতৃত্বে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩ সংশোধিত ২০০৯ এর ৬ ও ৮ ধারায় মুজিবনগর উপজেলার ভবানীপুরে রফিকুল ইসলামের গাজী ব্রিকসে ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা, ফারুক হোসেন এর জবা ব্রিকসে২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা, গোপালনগর গ্রামের মোজাম্মেল হকের বিবিই ব্রিকসে ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা, মোনাখালী গ্রামের এমএনবি ব্রিকসে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, গৌরীনগরের তৌফিকুল বারীর, মুকুল ব্রিকসে ২ লক্ষ টাকা, দারিয়াপুরে রোকনুজ্জামানের হীরা ব্রিকসে ২ লক্ষ টাকা, নুরুল ইসলামের ডালিম ব্রিকসে ২ লক্ষ টাকা, মোনাখালীর মোঃ লাভলুর এমএনসি ব্রিকসে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, একই এলাকার মোঃ আঃ রশীদের শাপলা ব্রিকসে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশিফুর রহমান জানান, মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটাতে অভিযান পরিচালনাকালে ভাটাগুলোতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকা, অবাধে কাঠ পোড়ানো, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিকট স্থানে এবং ফসলী জমি ধ্বংস করে ইট ভাটা তৈরি করার অপরাধে মুজিবনগর উপজেলার ৯টি ইট ভাটা মালিকের নিকট থেকে ১৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এই অভিযান পর্যায়ক্রমে জেলার সকল উপজেলায় চলবে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (কুষ্টিয়া) আতাউর রহমান জানান- বর্তমানে মেহেরপুর জেলায় ৯৩টি ইট ভাটার মধ্যে ১টি মাত্র ইট ভাটার পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র রয়েছে। অবৈধ এই সমস্ত ইটভাটা বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনকে তালিকা দিয়েও ব্যবস্থা না নেওয়ায় এই অভিযান শুরু হয়েছে।