• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

মুজিবনগরে পদ্মবিলের মাছ লুটের প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : বুধবার, ৫ জুন, ২০২৪
মুজিবনগরে পদ্মবিলের মাছ লুটের প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
মুজিবনগরে পদ্মবিলের মাছ লুটের প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার তারানগর গ্রামের পদ্ম বিলের মাছ লুটের প্রতিবাদ ও প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই গ্রামের উলফাত শেখ ও তার শরীকগন। বুধবার (৫ জুন) বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে বিলের পাশে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জমির দখলদারিত্ব ও মাছ লুটের ফিরিস্তি তুলে ধরা হয়।

মৎস্য চাষি উলফাত শেখের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন খাইরুল ইসলাম ওরফে ইতা। বক্তব্যে জানানো হয়, পদ্ম বিলে সরকারের খাস খতিয়ানের ১৬ একর ৭০ শতক জমি উলফাত শেখসহ স্থানীয় বেশ কয়েকজন সরকারের কাছ থেকে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নেন। আর এস রেকর্ডের সময় ওই জমি ভুল করে সরকারের খাস খতিয়ানভুক্ত হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ও তা সংশোধনের জন্য বিভিন্ন সময় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের শরণাপন্ন হলে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন। সরকারের কাছ থেকে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নেওয়া ওই জমিসহ উলফাত শেখসহ অন্ততঃ ১৫জন তাদের মোট ১০৫ বিঘা জমির জলকরের অংশে মাছ চাষ শুরু করেন।

২০২০ সালে হঠাৎ করেই মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তর থেকে পদ্ম বিল লীজ দেওয়ার বিষয়ে স্থানীয় একটি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হলে হতভম্ব হয়ে পড়েন মৎস্যচাষিরা। বাধ্য হয়ে আদালতের শরণাপন্ন হন। দীর্ঘদিন মামলা চলার একপর্যায়ে মহামান্য হাইকোর্ট লীজ প্রদানের বিষয়টি স্থগিত করেন। তার পর থেকে সকলেই ওই বিলে মাছ চাষ করছেন। এবং যে যতটুকু অংশের মালিক তার ততোটুকু অর্থ দেওয়া হয়। কিন্তু বিপত্তি দেখা দেয় গেল সংসদ নির্বাচনের সময় থেকে।

তারানগর গ্রামের আরিফ গং চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ৩০ লাখ টাকার মাছ লুট করে। বিষয়টি মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করণ ছাড়াও মুজিবনগর থানায় দুটি অভিযোগ দেওয়া হলেও কোন সমাধান হয়নি। বাধ্য হয়ে মেহেরপুর জজ আদালতে একটি মামলা করা হয়। যার নং- ৪৭/২০২৪ ইং।

এ ছাড়াও গত ৩১ মে ও পহেলা জুন তারিখে ওই আরিফ গং রাজনীতিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আবারো ৪/৫ লাখ টাকার মাছ লুট করে। ক্ষতাসীন দলের একজন প্রভাবশালী ব্যাক্তির নাম ভাঙ্গিয়ে এ মাছ লুট অব্যাহত রেখেছেন বলেও দাবী করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।

তারা মাছ লুটের প্রতিকার চেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে উলফাত শেখ ও তার শরীকসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রীক মিডিয়ার সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category