• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

মামলার তদন্তে অনৈতিক আবদারের অভিযোগ এসআই’র বিরুদ্ধে

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : রবিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৩
মামলার তদন্তে অনৈতিক আবদারের অভিযোগ এসআই’র বিরুদ্ধে
মামলার তদন্তে অনৈতিক আবদারের অভিযোগ এসআই’র বিরুদ্ধে

গত ২৭ জুলাই মেহেরপুর সদর উপজেলার হিজুলী গ্রামের মন্ডল পাড়ায় আনারুলের পরিবারের একজনকে সাপে কাটে। প্রতিবেশী হিসেবে আবু বক্করের স্ত্রী সবেদা খাতুন তাকে দেখতে গেলে পূর্বের মনোমালিন্যের জের ধরে আনারুল ও তার পরিবারের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

এসময় আবু বক্করের সাথে বাকবিতন্ড শুরু হয়। বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে অভিযুক্তরা লোহার রড ও লাঠি নিয়ে আবু বক্কর ও তার স্ত্রীর উপর চড়াও হয়। এসময় তারা পালিয়ে নিজ বাড়িতে ঢুকে বাড়ির প্রধান দরজা বন্ধ করে দিলে

অভিযুক্তরা দরজা ভেঙ্গে ফেলার চেষ্টা করে এবং বাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে হামলাকারীরা বাড়ির পিছনের প্রাচীর টপকিয়ে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে আবু বক্কর, সবেদা খাতুনকে মারধর করে আহত করে। এসময় আবু বক্করের ছেলের বৌ মিতা খাতুন তাদের রক্ষা করতে আসলে তাকেও তারা মারধর করে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এ ঘটনায় দঃ বিঃ ৪৪৭/৪২৭/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৭৯/৫০৬/৩৫৪/১১৪ ধারায় মেহেরপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালতে একটি মামলা করেন ভুক্তভূগী আবু বক্কর। যার মামলা নং সি,আর ৫৮০/২০২৩। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তদন্ত পূর্বক মামলার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বর্তমানে সদর উপজেলার বারাদি ক্যাম্প ইনচার্জ সাব ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মোঃ রেজাউল করিমকে দায়িত্ব দেন।

মামলা তদন্তের জন্য এসে খরচ দাবি করেন এই কর্মকর্তা এমন অভিযোগ করেন ভূক্তভূগীর পরিবার। ভুক্তভূগী আবু বক্করের জামাতা আনারুল বলেন, এর আগে বারাদি ক্যাম্পের যে ইনচার্জ ছিলেন তাকে প্রথমে মামলার তদন্তের জন্য বলা হয়েছিলো। তিনি অন্যত্র বদলী হয়ে যাওয়ায় রেজাউল করিম দায়িত্বে আসেন। তিনি এই মামলার তদন্তের জন্য আমার কাছে প্রথমে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন।

ভুক্তভূগী আবু বক্করের স্ত্রী সবেদা খাতুন বলেন, ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ করলে বারাদি ক্যাম্পের দারোগা তদন্তের জন্য বাড়িতে আসেন। তদন্ত ভালো করে দেবে বলে তিনি টাকা দাবি করেন এসময় তাকে দেড় হাজার টাকা দেওয়া হয়।

ভুক্তভূগী আবু বক্কর বলেন, দারোগা রেজাউল করিম তদন্তের জন্য টাকা দাবি করলে তাকে প্রথমে ১৫’শ টাকা দেওয়া হয়। দ্বিতীয়বার তিনি বাড়িতে এসে আবারও তিন হাজার টাকা দাবি করেন এসময় টাকা দিতে না চাইলে তিনি ক্ষুদ্ধ হয়ে চলে যান। পরে আমরা আমাদের উকিলের মাধ্যমে জানতে পারি আমরা যে ধারায় মামলাটি করেছিলাম সেটি থেকে কয়েকটি ধারা বাতিল করে তিনি প্রতিবেদন দিয়েছে।

এবিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রেজাউল করিম বলেন, আমার আগের অফিসার কি করেছে তা আমার জানা নেই, আমি যোগদান করার পর আমাকে তদন্তের দ্বায়িত্ব দিলে একদিন গিয়েছিলাম, তদন্তকালে আমি যা যা পেয়েছি এবং সেগুলো মেডিকেল সার্টিফিকেটের সাথে মিলিয়ে যেটা সঠিক মনে হয়েছে তাই রির্পোট দিয়েছি। তাদের পছন্দ না হলে নারাজি দাবি দিলে নতুন করে অন্য কোন বড় জায়গা থেকে তদন্ত করে সেই ধারাগুলো যুক্ত করতে পারলে করবে। আমার সাথে টাকা নিয়ে কোন কথা হয়নি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category