• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এখন ঢাল তরোয়াল বিহিন নিধিরাম সর্দার নয়..বিচারপতি নিজামুল হক

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এখন ঢাল তরোয়াল বিহিন নিধিরাম সর্দার নয়..বিচারপতি নিজামুল হক
বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এখন ঢাল তরোয়াল বিহিন নিধিরাম সর্দার নয়..বিচারপতি নিজামুল হক

প্রেস কাউন্সিল এখন আর ঢাল তরোয়াল বিহিন নিধিরাম সর্দার নয় বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম। এটিকে আরো গতিশীল করতে কাজ করছে প্রেস কাউন্সিল। শক্তিশালী করা হচ্ছে প্রেস কাউন্সিল ট্রাইবুনাল। সংশোধনী একটি আইনের খসড়া সংসদে পাশ হলেই এটি আরো শক্তিশালী হবে। এতে আস্থা বাড়বে সাংবাদিক ও সাংবাদিকদের বিরুদ্বে অভিযোগকারীদের।

বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রেস কাউন্সিল আয়োজিত মেহেরপুর জেলা সার্কিট হাউজে জেলার প্রীন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে “গণমাধ্যমে হলুদ সাংবাদিকতা প্রতিরোধ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা” শীর্ষক সেমিনার ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথাগুলো বলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই এর কার্যক্রম আরো গতিশীল করা হয়েছে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কারো অভিযোগ থাকলেই কোর্ট অথবা থানায় মামলার আশ্রয় নেন তারা। ফলে অনেক সময় সাংবাদিকদের হ্যান্ডকাপ ও মাজায় দড়ি বেধে আদালতে নেয়া হয়। এটি বন্ধ করার চেষ্টা করছে প্রেস ইনস্টিটিউট। আগে প্রেস ইনস্টিউটে মামলা করলে অভিযোগকারী সেই মামলায় জয়ী হলে শুধুমাত্র সাংবাদিকদের তিরস্কার করা হতো। সেই আইনটি পরিবর্তন করে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

যেহেতু বঙ্গবন্ধু সাংবাদিকদের জন্য এ আইনটি করেছিলেন। সেখানে জেলের কোন বিধান ছিলো না। এখনও সেই বিধান রেখে শুধুমাত্র জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। আগে ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান থাকলেও এখন ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে বিলটি সংসদে তোলা হবে। পাশ হলে সাংবাদিকদের হয়রানি অনেকাংশে কমবে বলে তিনি দাবি করেন।

মতবিনিময় সভায় আলোচক ছিলেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকরা। সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হাসান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা তথ্য অফিসার আব্দুল্লাহ—আল মামুন। সভায় জেলার ইলেকট্রনিক্স ও প্রীন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশ নেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category