চুয়াডাঙ্গায় হত্যাকান্ডের এক দিন পার হওয়ার আগেই মিম হত্যাকান্ডের একমাত্র আসামি বড় ভাই আলমগীর গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সাথে হত্যার রহস্য উদঘাটনসহ হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ধারালো দা উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজিম উদ্দীন আল আজাদ (ক্রাইম এন্ড অপস্) বলেন, এক নিকট আত্মীয়ের সাথে বোনের পরকীয় প্রেমের সম্পর্ক জেনে যায় ভাই। সেই অবৈধ সর্ম্পক থেকে বোনকে সরে আসার জন্য বারবার সতর্কও করে ভাই আলমগীর। কিন্তু বোন মানজুরা ভাইয়ের কথা না শুনে পরকীয় প্রেম চালিয়ে যায়। এ কারণে ক্ষুব্ধ ছিল ভাই। এক পর্যায়ে পরিকল্পনা মতো গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বোনকে কৌশলে বাড়ীর পাশের আমবাগানে ডেকে নিয়ে যায় ভাই। এসময় কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে বোনের নিজের ওড়না দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বেগুন ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধারালো দা দিয়ে গলাকেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে আলমগীর।
এ ঘটনায় নিজেকে দায়ী করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন আলমগীর। এর আগে সোমবার সকালে আলমগীরকে আসামী করে দর্শনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন বোনের স্বামী সুরুজ মিয়া।
উল্লেখ্য, গতকাল রবিবার সকালে দর্শনার মোহাম্মদপুরে বাড়ির পাশের একটি বেগুন ক্ষেত থেকে মিম আক্তারের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।