মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধলা ও সহড়াতলা সীমান্ত দিয়ে ৫ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিরোধের মুখে শেষ পর্যন্ত তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় বিএসএফ।
আজ শুক্রবার (২৬ জুন) ভোরে ভারতের নদীয়া জেলার মুরটিয়া থানার রংপুর গ্রামের দিক থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৩৫ নম্বর মেইন পিলারের ৭এস সাব-পিলারসংলগ্ন ধলা সীমান্ত দিয়ে ৩ জন এবং একই জেলার বিজয়নগর গ্রামের দিক থেকে ১৪৪ নম্বর মেইন পিলারের ৫এস সাব-পিলারসংলগ্ন সহড়াতলা সীমান্ত দিয়ে আরও ২ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিষয়টি জানতে পেরে বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিএসএফের এই অবৈধ পদক্ষেপের প্রতিবাদ জানান। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারাও পুশ-ইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে সকাল ৭টার দিকে বিএসএফ ৫ জনকেই ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
জানা গেছে, ধলা সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিদের মধ্যে ২জন পুরুষ ও ১ জন নারী ছিলেন। অন্যদিকে সহড়াতলা সীমান্তে ২জন পুরুষকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়।
এ বিষয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের দাবি, বিজিবির তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ ও এলাকাবাসীর প্রতিরোধের কারণেই বিএসএফ কর্তৃক অবৈধ পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি মাসে মেহেরপুর সীমান্তে একাধিকবার পুশইনের চেষ্টা করেছে বিএসএফ। গত ৬ জুন তেঁতুলবাড়ীয়া সীমান্তে ৬ জন, ১৯ জুন বুড়িপোতা ইউনিয়নের খালপাড়া সীমান্তে ৪ জন এবং ২৫ জুন সহড়াতলা সীমান্তে ৭ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবারই বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে বিএসএফ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।