সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়া এবং সম্প্রতি কয়েকজন শিক্ষক নেতাকে শোকজ করার প্রতিবাদে মেহেরপুরের গাংনীতে দ্বিতীয় দিনের মতো ‘কমপ্লিট শার্টডাউন’ কর্মসূচি পালন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বার্ষিক পরীক্ষা বন্ধ রেখে গাংনী উপজেলার ১৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হয়ে উপজেলা পরিষদ এলাকায় অবস্থান নেন। বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক, বিদ্যালয়ের দপ্তরি ও অভিভাবকগণ শিক্ষার্থীদের ভবিষৎ চিন্তা করে পরিক্ষা গ্রহন করেন।
এমন পরিস্থিতিতে প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করলেও সহকারী শিক্ষকদের মানববন্ধনে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গাংনী উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও পলাশীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আখতারুজ্জামান বকুলের বিরুদ্ধে। তবে আক্তারুজ্জামান বকুল ছাড়াও কয়েকটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ইন্ধনের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বন্ধ রেখে প্রায় কয়েক শত সহকারী শিক্ষক উপজেলা চত্বরে অবস্থান করছিলেন। সেখানে সহকারী শিক্ষকদের মানববন্ধনে অন্য প্রধান শিক্ষক বা সমিতির কেউ না থাকলেও আক্তারুজ্জামানের বকুলে উপস্থিতি ও ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও পলাশীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আখতারুজ্জামান বকুল বলেন, উপজেলা চত্বরে কোনো ধরনের মানববন্ধন হয়নি। বরং শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে ফেরাতে আমার কমিটির পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলাম। সাংবাদিকের অপর এক প্রশ্নের জবাবে ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে তিনি হঠাৎ ফোন কল কেটে দেন।
এ বিষয়ে মেহেরপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুকুমার মিত্র অভিযোগের বিষয়ে বলেন, বিভিন্ন আমরা খবর পেয়েছি আখতারুজ্জামান বকুলের ইন্ধনের বিষয়ে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, এবং এ বিষয়ে আমরা শক্ত অবস্থানে আছি এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।