“সচেতন, সংগঠিত ও সোচ্চার নাগরিকই গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ” স্লোগানকে সামনে রেখে দি হাঙ্গার প্রজেক্টের সহযোগিতায় ও পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি) আয়োজনে মেহেরপুরের গাংনীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রথম নাগরিকত্ব অলিম্পিয়াড। শনিবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় গাংনীর সরকারি ডিগ্রি কলেজ অডিটোরিয়ামে এই অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়।
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও কলেজ শিক্ষক আবু সাদাত মোঃ সায়েম পল্টুর সভাপতিত্বে এবং পিস ফ্যাসিলেটর গ্রুপ (পিএসজি ) গাংনীর সমন্বয়কারী সাংবাদিক রফিকুল আলম বকুলের সঞ্চালনায় অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে সেরা দশজনকে আকর্ষণীয় পুরষ্কার ও সকল অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- গাংনী সরকারী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাংনী থানা অফিসার ইনচার্জ তাজুল ইসলাম, দি হাঙ্গার প্রজেক্টের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী খোরশেদ আলম, অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রশিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, প্রধান শিক্ষক সৈয়দ জাকির হোসেন, প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান, গাংনী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক শফি কামাল পলাশ, গাংনী মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মহিবুর রহমান মিন্টু, করমদি ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আমজাদ হোসেন, সহকারী অধ্যাপক মাসুদ রানা, গাংনী সরকারী ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক হোসেন আলী। এছাড়াও করমদি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, আজিজুল হক রানু, দি হাঙ্গার প্রজেক্টের যশোর এলাকা সমন্বয়কারী, গিয়াসউদ্দিন, গাংনী এলাকা সমন্বয়কারী হেলালউদ্দীন ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম সেন্টুসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি) নাগরিক প্রকল্পের সদস্যরা ও দি হাঙ্গার প্রজেক্টের সহযোগী সংগঠন ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গারের অর্ধশতাধিক ইয়ুথ লিডার। অনুষ্ঠানে সূচনা হয়েছিল জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে। পরবর্তীতে নাগরিক অলিম্পিয়াড এ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সবশেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার, লোগো সম্বলিত টি-শার্ট ও সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। সকল শিক্ষার্থীদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় স্মাট বাংলাদেশ গঠনে যোগ্য, দক্ষ ও যুগোপযোগী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। শপথ বাক্য পাঠ করান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম।