• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দৌলতপুরে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ৩ সন্তানের জননী টগরী আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হওয়ায় মেহেরপুর বিজেপির শুভেচ্ছা মেহেরপুরে বেকারি ও বিরানি কারখানায় যৌথ অভিযানে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা মেহেরপুরে যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় শুনে জ্ঞান হারালেন ধর্ষণ মামলার আসামী গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন

খাস জমি বন্দোবস্তের নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : শুক্রবার, ১১ আগস্ট, ২০২৩
খাস জমি বন্দোবস্তের নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
খাস জমি বন্দোবস্তের নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

মেহেরপুরে শামিম রেজা নামের এক ব্যক্তিকে খাস জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার নামে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে গাংনী উপজেলা ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক মোঃ রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে। শামীম রেজা মেহেরপুর পৌর শহরের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে।

এ ঘটনায় গত ২৬ জুলাই মেহেরপুর জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ পত্র দিয়েছেন ভূক্তভূগী শামিম রেজা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শামীম রেজা পেশায় একজন রিক্সা চালক। তার কোন জমি জায়গা না থাকায় ৬৭ নং বামনপাড়া মৌজার ১ নং খাস খতিয়ানের আর.এস ৪১ নং দাগের ৮ শতক জমি বন্দোবস্ত পাওয়ার জন্য আবেদন করে।

আবেদনের পর সেসময় রাজস্ব শাখায় কর্মরত সদর উপজেলার বন্দর গ্রামের মৃত মিয়ারুল ইসলামের ছেলে মোঃ রবিউল ইসলাম (বর্তমানে গাংনী ভূমি অফিসে কর্মরত) ১ লক্ষ টাকা প্রদান করলে ওই জমির ব্যবস্থা করে দেবে বলে জানাই। জমি পাবার আশায় রবিউলের সাথে শামিম রেজার ৮০ হাজার টাকায় চুক্তি হয়।

চুক্তি অনুযায়ী সরল বিশ্বাসে শামীম রেজা ১ম ধাপে ১০ হাজার, ২য় ধাপে ২০ হাজার এবং ৩য় ধাপে ৫০ হাজার টাকা রবিউলকে প্রদান করেন। টাকা দেওয়ার কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও জমি আজ করে দেবো, কাল করে দেবো বলে ঘুরাতে থাকে রবিউল। এর মধ্যে সে মেহেরপুর থেকে গাংনী উপজেলা ভূমি অফিসে বদলি হয়ে যান। পরবর্তীতে জমি বা টাকা ফেরতের বিষয়ে তাকে কিছু বলতে গেলে সে পুরো বিষয়টি অস্বীকার করেন।

এবিষয়ে জানতে রবিউলের মুঠোফোনে যোগযোগ করলে রবিউল টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, শামিম আমার ছোট ভাইয়ের মত। তার জমির জন্য আমি আবেদন করে দিয়েছিলাম। জমি দেওয়ার নামে তার কাছ থেকে কোন টাকা নেইনি।

এ ব্যাপারে গাংনী উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) নাদির হোসেন শামীম জানান, রবিউলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের সত্যতা ও তদন্তের মধ্যদিয়ে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category