• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সীমান্তে অবৈধ পারাপার ও পুশ-ইন প্রতিরোধে জনসচেতনতায় বিজিবির মাইকিং ঝিনাইদহ বাইপাস এলাকায় বাসের চাপায় স্ত্রীসহ সেনা সদস্য নিহত নানা আয়োজনে গাংনীতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন প্রেমের বিয়ের পর তালাক দেওয়ায় সাবেক স্ত্রীর ডান হাত বিচ্ছিন্ন করা অভিযুক্ত সায়ন আটক ১৫ বছরের লড়াইয়ে নিঃস্ব পরিবার: টাকার অভাবে অনিশ্চিত সাজ্জাদের চিকিৎসা মেহেরপুর র‍্যাবের অভিযানে ভারতীয় সিরাপ ও নগদ টাকা উদ্ধার বাসযোগ্য নগরী গঠনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাংনীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা দৌলতপুরে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ৩ সন্তানের জননী টগরী আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হওয়ায় মেহেরপুর বিজেপির শুভেচ্ছা

কুষ্টিয়া-৪ আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

জিয়াউর রহমান, কুষ্টিয়া:
Update : বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫
কুষ্টিয়া-৪ আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন
কুষ্টিয়া-৪ আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমীর মনোনয়ন পরিবর্তন করে নুরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিককে দেওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। নেতাকর্মীদের একাংশের আশঙ্কা, এই আসনে প্রার্থী পরিবর্তন না করলে বিএনপির ভরাডুবি হবে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) বিকেল পৌনে ৫ টায় কুমারখালী হলবাজার এলাকায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে কুমারখালী-খোকসা তৃণমূল বিএনপি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শিলাইদহ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী নেওয়াজ টুটুল।

এ সময় পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি কে এম আলম টমে, চাঁদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী মোমেনুল হক পলাশ, জগন্নাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম, নন্দলালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকসহ কয়েক শত নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। লিখিত বক্তব্যে বিএনপি নেতা আলী নেওয়াজ বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন খোকসা-কুমারখালী আসনে সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমীকে বিএনপির ধানের শীষের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিগত ১৭ বছর রুমী মাঠে ছিলেন না। মানুষের কাছে মেহেদী আহমেদ রুমী একজন গণবিচ্ছিন্ন নেতা। গত বছরের ৫ আগস্টের পর তিনি হঠাৎ করেই উদয় হয়ে কোন ক্যারিশমায় মনোনয়ন নিয়ে এলেন আমাদের জানা নেই। অথচ বিগত ১৭ বছরে উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিক জুলুম, নির্যাতন, হামলা-মামলা নিয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও মানুষের উপকার করেছেন।

তিনি আরও বলেন, ভোটের সমীকরণে কুমারখালী উপজেলায় প্রায় দুই লাখ ৯৮ হাজার ভোট। খোকসা উপজেলায় প্রায় এক লাখ ১৫ হাজার ভোট। কুমারখালীতে দ্বিগুণের বেশি ভোট সত্ত্বেও কুমারখালীর জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ্য না রেখে প্রতিবারই খোকসা উপজেলা থেকে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়।

সুতরাং আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী পরিবর্তন করা না হলে এ আসনে বিএনপির প্রার্থীর ভরাডুবি হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি কে এম আলম বলেন, নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। দাবি আদায় না হলে আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলন শেষে কয়েকশ নেতাকর্মী বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি কুমারখালী হলবাজার, গণ মোড়, থানা মোড়, স্টেশন বাজার প্রদক্ষিণ করে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের কুমারখালী গোলচত্বর এলাকায় সড়ক আটকে অবরোধ করে। এতে সাময়িক ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ জনগণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category