কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর জেলার সীমান্ত এলাকায় অবৈধ সীমান্ত পারাপার, পুশ-ইন, চোরাচালানসহ বিভিন্ন সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সীমান্তবর্তী জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিয়মিত জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
এরই অংশ হিসেবে মাইকিংয়ের মাধ্যমে সীমান্তবাসীকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম না করা এবং কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধ সীমান্ত পারাপারে সহযোগিতা না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা দলের চলাচল, পরিচয় গোপন করে অবস্থান, সীমান্তের অপর প্রান্ত থেকে কোনো ব্যক্তিকে পুশ-ইনের চেষ্টা অথবা কোনো ভারতীয় নাগরিকের অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের ঘটনা নজরে এলে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি টহল দল বা ক্যাম্পকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
এ ছাড়া সীমান্তের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সীমান্ত এলাকায় অপ্রয়োজনে ঘোরাফেরা না করা, অপরিচিত বা সন্দেহজনক ব্যক্তিকে বাড়িতে আশ্রয় না দেওয়া এবং মাদক, অস্ত্র, মানবপাচার ও চোরাচালানসহ যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য স্থানীয় জনগণকে সচেতন করা হয়। সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই সীমান্ত এলাকায় যেকোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা কর্মকাণ্ড পরিলক্ষিত হলে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প বা টহল দলকে অবহিত করার জন্য সীমান্তবাসীর প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক বুধবার সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সীমান্ত সুরক্ষা, অবৈধ সীমান্ত পারাপার ও পুশ-ইন প্রতিরোধ এবং মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান দমনে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা, নজরদারি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত পরিস্থিতি বিবেচনায় এসব কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে। অবৈধ সীমান্ত পারাপার অথবা এ কাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।