ডেসটিনি, ইউনিপেটু ইউ এর পরে এবার কুষ্টিয়া থেকে কয়েকশ কোটি টাকা লুট করে পালিয়েছে মিজানুর রহমান মিজান এবং মাসুম আলী নামের দুই প্রতারক। প্রথমে তারা ওমরাহ করতে যান সৌদিতে। তাদের হজ্বের ছবি ভাইরাল হয়ে গেলে তারা দুবাইতে ফিরে গা ঢাকা দেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মিজানুর রহমানের স্ত্রীর বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায়। তিনি কুষ্টিয়া ‘ল’ কলেজের ছাত্রী। পাশাপাশি মাসুম আলীও ‘ল’ কলেজের ছাত্র। মিজানের স্ত্রী ও মাসুম উভয় ২০২১-২০২২ সেশনের শিক্ষার্থী। ওই সুবাদে ‘ল’ কলেজের শিক্ষার্থীসহ অসংখ্য মানুষকে এর মধ্যে জড়ানোর চেষ্টা করে।
এমটিএফই নামের এই প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে গত ২৭ রমজান কুষ্টিয়ার অভিযাত রেষ্টুরেন্ট চিলিসে এক আলোচনা সভা ও ভোজের আয়োজন করে মিজানুর রহমান ও মাসুম আলী। মাসুম আলী একজন পুলিশ কনষ্টেবল ছিলো।
রাতারাতি এই হায় হায় কোম্পানীর ব্যবসা করে কোটিপতি বনে যান। এদিকে মিজানুর রহমানও বনে যান কোটিপতি। চৌড়হাস মোড়সহ কুষ্টিয়া ও কুমারখালীতে ৩টি অফিস করে এই প্রতারক চক্র।
সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে কেউ ৫০ হাজার কেউ ১ লাখ কেউ ৩ লাখ হারিয়েছে এই প্রতারক চক্রের ফাঁদে। সবমিলিয়ে কুষ্টিয়া থেকে অর্থ আত্মাসাতের পরিমান প্রায় শত কোটি টাকা। বহু ভদ্র পরিবারের সন্তানেরা ফেঁসে গেছে এই ফাঁদে পড়ে।
কুষ্টিয়া ‘ল’ কলেজের শিক্ষক এ্যাড. শরিফ উদ্দিন রিমন বলেন, মিজানুর রহমান আমাদের কলেজের ছাত্রীর স্বামী। কাল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা এসে আমাদের এই প্রতারণা কথা জানায়। এর আগে আমি এই সম্পর্কে কিছুই জানতাম না।