• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দৌলতপুরে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ৩ সন্তানের জননী টগরী আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হওয়ায় মেহেরপুর বিজেপির শুভেচ্ছা মেহেরপুরে বেকারি ও বিরানি কারখানায় যৌথ অভিযানে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা মেহেরপুরে যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় শুনে জ্ঞান হারালেন ধর্ষণ মামলার আসামী গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন

কুষ্টিয়ায় ব্যাস্ত লেপ-তোষক কারিগররা

ইসমাইল হোসেন, কুষ্টিয়া
Update : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৩
কুষ্টিয়ায় ব্যাস্ত লেপ-তোষক কারিগররা
কুষ্টিয়ায় ব্যাস্ত লেপ-তোষক কারিগররা

শীতের আগমনী বার্তায় কুষ্টিয়ায় লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছেন কারিগররা। শীত নিবারণের আগাম প্রস্তুতি হিসেবে লেপ তোষক বানাতে ক্রেতারাও ভীড় করছে দোকানগুলোতে। অনেকেই আবার ব্যাস্ত নিজের পুরোনো লেপ-তোষক মেরামতে। ভোরে ও সন্ধা-রাতে শীত অনুভূত হচ্ছে বেশি। ফলে যে যার সাধ্যমতো শীত নিবারণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রাতের বিছানায় টেনে নিতে হচ্ছে কাথা বা কম্বল।

জানা গেছে, বাজারে প্রতি কেজি শিমুল তুলা ৪০০থেকে ৫০০টাকা। এসব তুলায় বালিশ তৈরি করেন সমাজের ধনী লোকেরা। আর গার্মেন্টস তুলায় বালিশ, লেপ, তোষক বানিয়ে নেন মধ্যবিত্ব ও গ্রামের গরিব মানুষেরা। তবুও বর্তমান বাজারে পাচঁ হাত বাই ছয় হাত লেপ তৈরি করতে ১৭০০টাকার মতো খরচ হচ্ছে। যা গতবারের চেয়ে ২০০থেকে ৩০০টাকা বেশি।

কুষ্টিয়া পৌরসভাধীন ১৬নং ওয়ার্ড মঙ্গলবাড়িয়া এলাকার আফরোজা খাতুন বলেন, এবারে বেশি শীত হতে পারে। তাই আগেভাগেই লেপ তৈরির জন্য দোকানে এসে অর্ডার দিচ্ছি। শীতের শুরুতেই ক্রেতাদের ভীড় বাড়ছে। এই আনাগোনা চলবে পুরো শীত জুড়ে। কুষ্টিয়া বড়বাজারসহ জেলার প্রতিটি উপজেলা শহরে গিয়ে দেখা যায় লেপ-তোষকের কারিগরদের ব্যস্ততা। অন্যদিকে শহরের দোকানিরাও অর্ডার নিচ্ছে। ক্রেতাদের বিভিন্ন মানের কাপড় ও তুলা দেখাতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

কুষ্টিয়ার লেপ-তোষকের কারিগর নাসিরুল ইসলাম বলেন, আমি দীর্ঘ ১৫বছর যাবৎ এই পেশার সাথে জড়িত। প্রকারভেদে একটি লেপ তৈরি করে মজুরি পায় ১৮০ থেকে ২৫০টাকা। এছাড়া তোষক ১৪০থেকে ৩০০টাকা। বালিশ প্রতিটি ২৫ টাকা এবং জাজিম তৈরিতে ৪০০টাকা হারে মজুরি নেওয়া হচ্ছে। এই মজুরির হার অন্য সময়ের চাইতে কিছুটা বেশি।

একজন কারিগর জানান, শীত পড়তে থাকায় এখন কাজ বেড়েছে, তবে বর্তমানে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের যে দাম তাতে এ মজুরিতে তাদের পোষায় না। মজুরি বাড়ালে তাদের জন্য ভালো হতো। শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজের চাপ আরো বাড়বে বলে জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category