আগামীকাল ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস। দিবসটি ঘিরে মেহেরপুর জেলা জুড়ে সাজ সাজ রব। বর্ণিল সাজে সাজানো হচ্ছে এ জেলাকে। এদিনেই মুজিবনগর আম্রকাননে বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করেন। দিনটিকে ঘিরে নানা কর্মসূচীর আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন ও জেলা আওয়ামী লীগ। সূর্যদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে দিনের সূচনা হবে। আয়োজন করা হয়েছে আলোচনা সভার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল হক হানিফ, বাহাউদ্দীন নাসিম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ডজন খানেক নেতা। এছাড়াও রয়েছে কুচকাওয়াজ, অতিথিবৃন্দের জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনসহ নানা কর্মসূচী। রমজান উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি এবার বন্ধ রাখা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আজিজুল ইসলাম বলেন, যেহেতু এটি একটি সরকারী অনুষ্ঠান। সেই লক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়েছে। বাইরে থেকে আগত নেতৃবৃন্দদের থাকার ও খাওয়ার সুব্যবস্থ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে। সারা শহর বর্ণীল সাজে সজ্জিত করা হচ্ছে। আশা করা যায় অতিতের চাইতে সুন্দর, সুষ্ঠুভাবে মুজিবনগর দিবস পালিত হবে।
পুলিশ সুপার রাফিউল আলম বলেন, মুজিবনগর দিবস পালন উপলক্ষে এখন পর্যন্ত নাশকতার কোন ধরনের আশঙ্কা নেয়। সভাস্থল ঘিরে চার স্থরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। পুরো সমাবেশস্থল সিসি ক্যামেরা দ্বারা আবৃত থাকবে। পোশাকে পুলিশের পাশপাশি সাদা পোশাকে পুলিশ কাজ করবে। র্যাবের একটি দল চারপাশ টহল দেবে। এক কথায় নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে মুজিবনগর দিবস পালিত হবে।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, দিবসটি সফলভাবে পালন উপলক্ষে নানা উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে। আলোচনাসভাস্থলে লক্ষাধীক মানুষের সমাগম করার চেষ্টা চলছে। বিশেষ করে মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, মাগুরা, যশোরসহ আশপাশের জেলাগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণ নেতা-কর্মী সভায় যোগদান করবেন। এজন্য দলীয়ভাবে প্রস্তুতি সভা থেকে শুরু করে নেতা-কর্মীদের উজ্জিবীত করার জন্য কাজ করছেন দলীয় নেতা-কর্মীরা।