মেহেরপুরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট এখনও কাটেনি। রমজান মাসে তেল সংকট এবং ডাল ও চাউলের দর বৃদ্ধি অব্যহত থাকায় ভোক্তা পর্যায়ে বেড়েছে অসন্তোষ।
আজ বুধবার মেহেরপুর জেলা শহরসহ বিভিন্ন এলাকা খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভোজ্যতেল বাজারাতকারী কোম্পানীগুলো তাদের প্রতশ্রতিমত তেল সরবরাহ করছে না। চাহিদার বিপরিতে খুব সামান্য সরবরাহ থাকায় সংকট বেড়েই চলেছে। কিছু কিছু দোকানে সামান্য পরিমাণ বোতলজাত তেল পাওয়া গেলেও তা কিনতে হচ্ছে বাড়তি দামে। অন্যদিকে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে আরও চড়া দামে। প্রতি কেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকার উপরে। একইসাথে রমজানের শুরু থেকে বাজারে চাল, ডাল ও চিনির দাম বেড়েই চলেছে।
চিকন চাউল প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৫-১০ টাকা, চিনি প্রতি কেজিতে বেড়েছে ২ টাকা এবং সব ধরনের ডাল কেজি প্রতি বেড়েছে ১০-১৫ টাকা পর্যন্ত।
মেহেরপুর তহ বাজারের বাহার গ্রোসারী স্টোরের মালিক বলেন, গেল দুই মাস থেকেই তো কোম্পানীর প্রতিনিধিরা আমাদের সাথে মসকরা করতেছে। চাহিদার এক ভাগ তেল তারা সরবরাহ করছে না। বোতলজাত সয়াবিন তেলের ক্রেতাদের তো আমরা ধরে রাখতে পারছি না। এছাড়াও রমজানের শুরু থেকে চাল, ডাল, চিনিসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েছে বলেও জানান তিনি।
বিভিন্ন দোকানে ঘুরে দেখা গেছে, বোতলজাত সয়াবিন তেলের জায়গায় অন্য তেলের বোতল সাজিয়ে রেখেছেন দোকানদাররা।
মেহেরপুর তহ বাজারে বুধবার দুপুরে বাজার করার সময় মেহেরপুর পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড বাসিন্দা আনারুর ইসলাম বলেন, আলু, পেঁয়াজ, রসুন ও শাক সবজিতে আমরা বেশ শান্তিতে আছি। শসা ও লেবুর দাম বেড়ে গেলেও আজকে শসার দাম কমেছে। তবে বোতলজাত সয়াবিন তেল, চিনি, চাল, ডালসহ বিভিন্ন প্রকার মুদি পণ্যের দাম সাধারণ ক্রেতাদের সাধ্যে বাইরে। এসব পণ্যের দাম কমানোর দাবি জানান তিনি।
বাজার দর নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের বিশষে টাস্কফোর্স কমিটি প্রধান এনডিসি সাজেদুর রহমান বলেন, বাড়তি দর ও কৃত্রিম সংকট কেউ সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের টিম প্রতিদিনই মনিটরিং করছে।