• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

দৌলতপুরে অসময়ে ভাঙ্গনে হুমকির মুখে রায়টা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৪
দৌলতপুরে অসময়ে ভাঙ্গনে হুমকির মুখে রায়টা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ
দৌলতপুরে অসময়ে ভাঙ্গনে হুমকির মুখে রায়টা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

এদিকে শীতের তিব্রতা অন্যদিকে পদ্মা নদীতে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে। গত ২ সপ্তাহে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের ভুরকা, হাটখোলা ও কোলদিয়াড় গ্রামের বেশ কিছু আবাদি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ রায়টা-মহিষকুন্ডি নদীরক্ষা বাঁধসহ ভারত থেকে আসা বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন।

এভাবে নদীভাঙন অব্যাহত থাকলে এসব স্থাপনার সঙ্গে সঙ্গে বিলীন হয়ে যাবে মরিচা ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম। নদীভাঙ্গন রোধে যততাড়াতাড়ী সম্ভব ব্যাবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন নতুন সংসদ সদস্য।

এ বছর বন্যার পানি গত বছরের মতো বৃদ্ধি না পেলেও পানি নামার অনেক পরে পদ্মা নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। মরিচা ইউনিয়নের ভুরকা-হাটখোলা থেকে কোলদিয়াড় পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নদীভাঙন তিব্রআকার ধারন করেছে। প্রতিদিনই নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি ও বাগান। ৪ ফসলি জমি হারিয়ে অনেকেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

এলাকাবাসীরা জানান, নদী ভাঙ্গনের তীব্রতার কারনে বাধেঁর সন্নিকটে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। যদি এই বাধঁটি ভেঙ্গে যায় তাহলে এই এলাকাটি বিলীন হয়ে যাবে। অপরিকল্পিত বালি উত্তোলনের ফলে নদীর দিক পরিবর্তন হয় যার কারনে অসময়ে নদী ভাঙ্গনের তিব্রতা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে আবাদী জমি পদ্মার ভাঙ্গনে বিলিন হয়ে গেছে।

আবারও শুরু হয়েছে নতুন করে নদীর ভাঙ্গন স্থায়ী বাধেঁ সমাধান না হলে বাড়ীঘর এখন হুমকির মুখে। হুমকির মুখে রয়েছে রায়টা-মহিষকুন্ডি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষের ঘরবাড়ি ও সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনা হারানোর আতঙ্ক বিরাজ করছে।

কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব রেজাউল হক চৌধুরী বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি, নদীভাঙ্গন রোধে যত দ্রুত সম্ভব ব্যাবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছেন।

শুধু আশ্বাস নই, বাচতে চাই দৌলপুরের পদ্মাপাড়ের মানুষ। অপরিকল্পিত বালি উত্তোলন বন্ধ করে স্থায়ী বাঁধ নির্মানের দাবি সকলের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category