• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

গাংনীতে সম্পত্তির জন্য কবর থেকে উঠলো আল কবিরের হাড়

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৪
গাংনীতে সম্পত্তির জন্য কবর থেকে উঠলো আল কবিরের হাড়
গাংনীতে সম্পত্তির জন্য কবর থেকে উঠলো আল কবিরের হাড়

সম্পদের মালিকানা নির্ধারণ করতে সাত বছর পরে মৃত যুবকের লাশের অবশিষ্টাংশ করব থেকে উত্তোলন পূর্বক ডিএনএ সংগ্রহ করা হয়েছে। ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত হতে মেহেরপুর ২য় যুগ্ম জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এইচ এম কবির হোসেন এ আদেশ দেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার পূর্বমালসাদহ গ্রামের কবরস্থান থেকে মরদেহের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

আদালতের আদেশে গাংনী উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাদির হোসেন শামীম, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আব্দুল আল মারুফ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গাংনী থানার এসআই জহির রায়হান মামলার বাদি ও বিবাদিদের উপস্থিতিতে মরদেহের নমুনা সংগ্রহ করেন।

জানা গেছে, উপজেলার পূর্বমালসাদহ গ্রামের মিজানুর রহমান খোকনের ছেলে আল কবির (২৫)কে নিঃসন্তান দম্পতি জুগিরগোফা গ্রামের আব্দুল লতিফ-হাজেরা খাতুন নিজের সন্তানের মতই লালন-পালন করেছিলেন। নিজের ছেলে হিসেবে তাদের নামীয় ১৩ বিঘা জমি আল কবিরের নামেই রেজিস্ট্রি করে দিয়েছিলেন। ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর রাতে বাড়ির উঠানেই বিদ্যুতস্পৃষ্টে আল কবিরের মৃত্যু হয়। পরের বছর তার পালিত পিতা আব্দুল লতিফও মৃত্যু বরণ করেন। তখন আল কবিরে নামীয় সম্পত্তি দখল করে নেয় আব্দুল লতিফের ভাইসহ অন্যান্য শরিকেরা। এ নিয়ে আল কবিরের পিতা মিজানুর রহমান খোকন আদালতে দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন যার নম্বর ০৩/২০১৮। মামলায় মিজানুর রহমান খোকন দাবি করেন আল কবির তার ঔরষজাত সন্তান। অন্যদিকে আব্দুল লতিফ পক্ষ দাবি করেন যে আল কবির আব্দুল লতিফের ঔরষজাত সন্তান। ফলে আল কবিরের সম্পত্তির মালিক কে হবেন তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়।

সন্তানের পিতৃপরিচয় নিশ্চিত হতে আব্দুল লতিফের ভাই আবুল কাশেম মেহেরপুর ২য় যুগ্ম জজ আদালতে একটি মামলা করেন। সম্পত্তির দাবীদার নিশ্চিত হতে আল কবিরের প্রকৃত পিতা মাতা কে? তা নিশ্চিত হবার প্রয়োজন মনে করেন বিজ্ঞ আদালত। সেহেতু মরদেহের ডিএনএ টেস্টের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে বিজ্ঞ আদালতের বিচারক এইচ এম কবির হোসেন মরদেহ উত্তেলন পূর্বক ডিএনএ সংগ্রহ করে সিআইডি ঢাকা বরাবর প্রেরণের আদেশ দেন গাংনী থানা পুলিশকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category