নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে মেহেরপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের বিশেষ টাস্ক ফোর্স কমিটি গাংনী বাজার মনিটরিং করেছে।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে গাংনী সাপ্তাহিক হাটের সবজি, মাছসহ নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের কেনাবেচনার দর তদারকি করা হয়।
মনিটরিং অভিযানে এক সবজির আড়তদারের ট্রেড লাইসেন্স না থাকায় ৫শ টাকা জরিমানা করা হয়।
মনিটরিং এসময় বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সাথে ক্রয় বিক্রয় মূল্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। এসময় মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কোন প্রকার ক্রয় রশিদ পাওয়া যায়নি। একটি টুকরো কাগজে ক্রয়কৃত মাছের পরিমাণ লেখা ছাড়া আর কিছুই দিতে পারেননি মাছ বিক্রেতারা। সরাসরি পুকুর থেকে মাছ চাষীর কাছ থেকে মাছ ক্রয় করায় রশিদ নেই বলে দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্বে থাকা মেহেরপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও এনডিসি সাজেদুল ইসলাম মাছ ব্যবসায়ীদের বলেন, পুকুর থেকে কেনা হোক বা আড়ত থেকে কেনা হোক পাকা ক্রয় রশিদ রাখতে হবে। তা না হলে একজন ক্রেতা কিভাবে বুঝবেন যে, মাছ ব্যবসায়ীরা ক্রয় মুল্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ দামে বিক্রি করছেন ? তাই যেকোন ভাবেই রশিদ আনতে হবে। ক্রয় রশিদে উল্লেখ থাকতে হবে ক্রয়কৃত মাছের পরিমাণ ও ক্রয় মূল্য। তা না হলে মাছ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুশিয়ার করেন তিনি।
এছাড়াও মনিটরিং দল বাজারের সবজি, আলু, পেঁয়াজ, রসুনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজি ও মসলার ক্রয় বিক্রয় দর পর্যালোচনা করেন। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে বলে জানান তিনি।
গতকালের মনিটরিং কার্যক্রমে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য ও মেহেরপুর জেলা ক্যাব সভপতি রফিক-উল আলম, সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল হক মানিক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্র প্রতিনিধি মুজাহিদুল ইসলাম এবং ক্যাব গাংনী শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম ও উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ।