• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

গাংনীতে জিয়ালার ফল খেয়ে ৯ শিশু হাসপাতালে

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
গাংনীতে জিয়ালার ফল খেয়ে ৯ শিশু হাসপাতালে
গাংনীতে জিয়ালার ফল খেয়ে ৯ শিশু হাসপাতালে

জিয়ালার ফল খেয়ে বিভিন্ন বয়সী অন্তত ১৪ শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত পেটে ব্যাথা ও বমি হওয়ায় ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খেলতে গিয়ে কাঠ বাদাম ভেবে এই ফল খেয়ে একে এক অসুস্থ হয়ে পড়ে শিশুরা। তবে চিকিৎসার মাধ্যমে তারা সুস্থ্য হয়ে উঠছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

জানাগেছে, প্রতিদিনের ন্যায় রবিবার (৫ জুলাই) বিকেলে গ্রামের শিশুরা খেলতে যায়। এক পর্যায়ে সড়কের পাশে থাকা একটি গাছের ফল খেতে থাকে শিুশুরা। জিয়ালা গাছের ফল কাঠ বাদাম মনে করে বেশ কয়েকটি করে খায় তারা। মিষ্টি জাতীয় এই ফল বেশ তৃপ্তি করে গ্রহণ করে অবুঝ শিশুরা। তাৎক্ষনিকভাবে ফলের কোন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়নি। খেলা শেষে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে শুরু হয় পেটে ব্যাথা। একইসাথে বমি করতে থাকে কয়েকজন। বিষয়টি টের পেয়ে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। জিয়ালা গাছের ফলের প্রতিক্রিয়া অসুস্থ হয়ে পড়ে অন্তত ১৪ শিশু। ৩ থেকে ১২ বছর বয়সী এসব শিশুদের বেশ কয়েকজনের বেশি অসুস্থতা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় অভিভাবকরা। ঘটনাটি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সহড়াবাড়ীয়া গ্রামে।

অসুস্থ শিশুরা জানায়, গাছের সুন্দর পাকা ফল দেখে আমরা ছিড়ে খায়। বেশ ভালো লাগছিলো। তারপরে খেলাধুলা করে যখন বাড়ি ফিরে আসি তারপর খেকে পেটে প্রচন্ড ব্যাথা হয়। আমরা সবাই কম বেশি খেয়েছি। কিন্তু জনতাম না যে এই ফল খেলে এমন হবে।

অসুস্থ শিশুদের মধ্যে মোস্তাকিন (১২), কাফি (১২), আমেনা খাতুন (৩), হালিমা (৯), রক্তিমা (১১), রিয়াদ (১১), ফেরদৌস (১০) ফুয়াদ (১২) এবং মোস্তাকিম (৯) কে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

কয়েকজন অভিভাবক জানান, জিয়ালা গাছের ফল কেউ কখনও খায় না। এই ফল খেলে মানুষের ক্ষতি হয় এমনটি জানা ছিল না অসুস্থ শিশু ও তাদের পরিবারের লোকজনের।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ উমর ফারুক জানান, বিদেশী গাছ বার্বাডোজ নাট স্থানীয়ভাবে জিয়ালা কচা নামে পরিচিত। এর ফল ও পাতা খেলে পেটে ব্যাথা, বমি এবং মারাত্মক ডায়রিয়া হতে পারে। শিশুদেরকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তারা আশংকা মুক্ত রয়েছে বলে জানালেন এই চিকিৎসক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category