• রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

কুমারখালীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারে অভিযোগে হুজুর আটক

জিয়াউর রহমান, কুষ্টিয়া:
Update : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
কুমারখালীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারে অভিযোগে হুজুর আটক
কুমারখালীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারে অভিযোগে হুজুর আটক

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ১০ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার বড় হুজুর (শিক্ষক) মোস্তাফিজুর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে কুমারখালী উপজেলার সদকী ইউনিয়নের তালোয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোডিং থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক মোস্তাফিজুর রহমান ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুণ্ডু উপজেলাধীন তাহেরহুদা ইউনিয়নের আব্দুর রহমানের ছেলে।

এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জুলাই মাদ্রাসার অন্য শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে গেলে ৫ জন শিশু মাদ্রাসায় ঘুমাচ্ছিল। বেলা ১১টার দিকে বড় হুজুর মোস্তাফিজুর রহমান ১০ বছর বয়সী ঐ শিক্ষার্থীকে তার কক্ষে নিয়ে বলাৎকার করেন। ঘটনাটি অন্য শিশুরা দেখলেও ভয়ে কাউকে কিছু বলতে সাহস পায়নি। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি মাদ্রাসায় জানাজানি হয়।

অভিযোগ উঠেছে, এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে মাদ্রাসা কমিটি মঙ্গলবার দুপুরে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করে। খবর পেয়ে স্থানীয় জনতা ভিড় জমালে কুমারখালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত হুজুরকে আটক করে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তার বাবাকেও থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

ভুক্তভোগী শিশুটি জানায়, হুজুর তাকে জোর করে বলাৎকার করেছেন এবং “স্বপ্ন দেখছ” বলে ভয় দেখিয়েছেন। শিশুটির বাবা বলেন, “হুজুর একাধিকবার আমার ছেলেকে বলাৎকার করেছে। সালিশ বসানোর খবর পেয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে দেখি তারা বিষয়টি মিটমাট করার চেষ্টা করছে। আমি সঠিক বিচার চাই।

মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি মো. জুলফিকার মাহমুদ সালিশ বৈঠকের কথা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাটি জানার পর সদস্যদের নিয়ে বৈঠক বসানো হয়েছিল। বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। আজ বুধবার আরও বড় পরিসরে সালিশ বসবে।

কুমারখালী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামাল উদ্দিন বলেন বলেন, সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের একটি টিম পাঠিয়ে অভিযুক্ত, ভুক্তভোগী ও তার বাবাকে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগীর বক্তব্য অনুযায়ী প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category