• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

মেহেরপুরে পুত্রবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা শ্বশুরের! আদালতে মামলা, তদন্তের নির্দেশ

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
মেহেরপুরে পুত্রবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা শ্বশুরের! আদালতে মামলা, তদন্তের নির্দেশ
মেহেরপুরে পুত্রবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা শ্বশুরের! আদালতে মামলা, তদন্তের নির্দেশ

মেহেরপুর শহরের মন্ডলপাড়ায় এক পুত্রবধূকে ধর্ষণের চেষ্টায় আলফাজ উদ্দিন মধু নামের এক শশুরের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন পুত্রবধূ। মেহেরপুর জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে পুত্রবধূ তার আপন শশুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টা মামলা দায়ের করে।

আদালতের বিচারক শেখ মাসুদ আলী মামলাটি মেহেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসিকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদানের নির্দেশ দেন। পিটিশন মামলা নং ৪৪/২৬।

অভিযুক্ত শশুর আলফাজ উদ্দিন মধু শহরের মন্ডল পাড়ার মৃত সলিম শাহের ছেলে। অভিযোগকারী পুত্রবধূ আশরাফপুর গ্রামের তসেম আলীর মেয়ে। আট মাস পূর্বে আলফাজ উদ্দিন মধুর ছেলে শাফিউলের সাথে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়।

জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিটর অ্যাড: মোস্তাফিজুর রহমান পিটিশন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য সদর থানার অফিসার ইনচার্জ কে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী হিসেবে আদালতে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মারুফ আহমেদ বিজন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ রাতে শাশুড়ি অসুস্থ হওয়ার কারণে শাশুড়িসহ পরের অন্যান্য লোকজন হাসপাতালে অবস্থান করে। একই রাতে স্বামী শাফিউল তার পিতার সাথে রাগারাগি করে বোনের বাড়িতে চলে। এই সুযোগে মধ্যরাতে পূত্রবধুর ঘরে তার শশুর আলফাজ উদ্দিন প্রবেশ করে জোর করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় সে নিজের ইজ্জত বাঁচাতে শশুরের সাথে ধস্তাধস্তি শুরু করেন। এই সুযোগে লম্পট শ্বশুর তার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন বলেও মামলায় উল্লেখ করেন।

সকালে স্বামী শাফিউল বাসায় ফিরলে তার সাথে ঘটে যাওয়া রাতের ঘটনা খুলে বললে সে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে না। এ ঘটনায় পুত্রবধূ নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বাপের বাড়ি আশরাফপুর ফিরে যান। পরবর্তীতে পূত্রবধূর কোন খোঁজ খবর তার স্বামী বা শশুর নেয়নি। গত তিন সপ্তাহ আগে তার শশুর আলফাজ উদ্দিন স্বামী শাফিউলকে আবারো তৃতীয় তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর সাথে বিয়ে দিয়ে বাড়ি নিয়ে আসেন। বিয়ের বিষয়টি জানতে পেরে পূত্রবধূ তার শ্বশুর বাড়ি গেলে লম্পট শশুর আবারো তাকে বলে যে তার শর্ত মেনে নিলে তাকেই বাড়িতে রাখবে।

পুত্রবধূ মামলায় আরো বলেন, শাফিউল তাকে তালাক না দিয়ে তার তালাকপ্রাপ্ত তৃতীয় স্ত্রীকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এর আগেও সে তিনটা বিয়ে করেছিলো। তিনি চার নম্বর স্ত্রী হিসেবে বাড়িতে ছিলেন। পূর্বের পুত্রবধূদের সাথেও তার শশুর এই ধরনের আচরণ ও ধর্ষণের চেষ্টা চালান বলে তারাও বাড়ি ছেড়ে চলে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category