• রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

মেহেরপুরে পাবলিক প্রসিকিউটর পল্লব ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে মামলা

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৪
মেহেরপুরে পাবলিক প্রসিকিউটর পল্লব ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে মামলা
মেহেরপুরে পাবলিক প্রসিকিউটর পল্লব ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে মামলা

বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে মামলা, খুন ও গুমের ভয় দেখিয়ে ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে কামাল হোসেন নামের এক ব্যাক্তি মামলা দায়ের করেছে মেহেরপুর জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) পল্লব ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে মেহেরপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট-১ শারমিন নাহারের আদালতে হাজির হয়ে তিনি এ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) পল্লব ভট্টাচার্যের সহযোগী হিসেবে আরও ১৮১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। মামলাটি আমলে নিয়ে আদালতের বিচারক শারমিন নাহার সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বাদী পক্ষের আইনজীবি মারুফ আহমেদ বিজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে “মেহেরপুর জেলা জজ আদালতের পিপি পল্লব ভট্টাচার্য প্রভাব খাটিয়ে সরকারের গুরত্বপূর্ণ পদ দখলে নিয়ে সন্ত্রাসী ও অস্ত্রবাজ সংগঠন তৈরি করে এলাকায় ত্রাসের সৃষ্টি করেন এবং নিরীহ লোকদের মামলা, খুন ও গুম এর ভয় দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বিগত ২০১৩ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ৫৯টি মামলার আসামিদের কাছে থেকে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর লোকজন দিয়ে নিরীহ লোকদের তাহার বাড়ীতে বা তাহার চেম্বারে ডেকে নিয়ে এসে চাঁদা আদায় করিয়াছে। যেসব লোকজন আসামীকে চাঁদা দিতে ব্যর্থ হইয়াছে তাহাদের উপরে উল্লেখিত মামলায় আসামী করিয়াছে এবং উক্ত মামলায় আসামীর সংখ্যা অনুমান দেড় থেকে দুই হাজার হইবে এই আসামীদের সহিত জামিনের মুক্তি বা চার্জ হইতে খালাস বা খালাস প্রদানের নামে আসামীকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো ও সাজা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তিন কোটি টাকা আদায় করেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ১২ জুন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাদী তাহার দলীয় সংগঠনের পক্ষ হইতে মামলা মোকদ্দমা পরিচালনা করিবার দায়িত্ব থাকায় আসামী তাহাকে তাহার নিজস্ব বাড়ীর “ল” চেম্বারে ডেকে নেন। এবং সাক্ষীগণের উপস্থিতিতে ১১ জন আসামীর জামিনের জন্য ৪ লাখ টাকা চাঁদা গ্রহণ করেন। মামলায় ১৮১ আসামির মধ্যে অন্যতম কয়েকজন হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুস সামাদ বাবুল বিশ্বাস, বুড়িপোতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহ জামাল চৌধুরী, বারাদি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোমিনুল ইসলাম, কুতুবপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী মাস্টার, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাফুয়ান আহমেদ রুপক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক বারিকুল ইসলাম লিজন, যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান হিরণ, ছাত্রলীগ নেতা কুতুব উদ্দিন।

উল্লেখ্য, মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট পল্লব ভট্টাচার্য গত জুলাই-২৪ মাস থেকে দুই মাসের ছুটি নিয়ে জাপানে অবস্থান করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category