• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

মেহেরপুরে চালকের সাহসিকতায় ইজিবাইক ফেলে পালাল ছিনতাইকারীরা

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬
মেহেরপুরে চালকের সাহসিকতায় ইজিবাইক ফেলে পালাল ছিনতাইকারীরা
মেহেরপুরে চালকের সাহসিকতায় ইজিবাইক ফেলে পালাল ছিনতাইকারীরা

মেহেরপুরে শাহিন নামের এক ইজিবাইক চালককে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করে ইজিবাইক ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে ছিনতাইকারীরা।

শাহিনের সাহসিকতা ও তার প্রতিরোধের মুখে শেষমেষ পালাতে হয়েছে ছিনতাইকারীদের। শাহীন মেহেরপুর শহরের নতুনপাড়ার মৃত সুরাত আলীর ছেলে। সে বর্তমানে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ভোরে সদর উপজেলার মনোহরপুর কবরস্থানের সামনে এই ঘটনা ঘটে

আহত শাহিন বলেন, সোমবার ভোরে ঢাকা থেকে আসা একজন যাত্রী নিয়ে সদর উপজেলার সহগলপুর স্কুলের কাছে নামিয়ে মেহেরপুর শহরের উদ্দেশ্যে ফিরছিলাম। পথিমধ্যে মনোহরপুর কবরস্থানের কাছে পৌছালে সড়কে কলাগাছ পড়ে থাকতে দেখে গাড়ির গতি বাড়িয়ে সেটি অতিক্রম করার চেষ্টা করি। প্রথমবার ছিনতাইকারীদের ফেলে রাখা কলাগাছ অতিক্রম করতে পারলেও পরের ধাপে ফেলে রাখা কলাগাছে আটকে ইজিবাইকটি উল্টে যায়।

এসময় পাশের বাগান থেকে মুখোশ পরিহিত সাতজন ছিনতাইকারীরা আমাকে পাশের বাগানের মধ্যে নিয়ে আমার শরীরে থাকা চাদর ছিড়ে হাত বেধে ব্যাপক মারধর করে। মারধরের একপর্যায়ে তিনজন আমার কাছে অবস্থান করে আর চারজন ইজিবাইক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায় কিন্তু গাড়ি উল্টে যাওয়ার কারণে ব্যাটারির তার ছিড়ে যাওয়ায় তারা চালু করতে পারেনি।

এসময় আমি হাতের বাধন খুলে ফেলতে সক্ষম হই। তাদের কাছে ধারালো কোন অস্ত্র না থাকায় আমি সাহস নিয়েই তিনজনের উপর হামলা শুরু করি। হামলার একপর্যায়ে তিনজনসহ বাকী চারজনও পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল থেকে বাড়িতে ফোন করে বিষয়টি জানালে বাড়ির লোকজন আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

এবিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, এবিষয়ে এখনও লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category