• রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

তথ্য কমিশনার নিয়োগের পদক্ষেপ জানতে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫
তথ্য কমিশনার নিয়োগের পদক্ষেপ জানতে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট
তথ্য কমিশনার নিয়োগের পদক্ষেপ জানতে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট

তথ্য কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তা আগামী ২ নভেম্বরের মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সাথে তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী তথ্য কমিশনার নিয়োগ না হওয়া প্রশ্নে রুল জারি করেছেন আদালত।

রোববার ( ৩১ আগস্ট) আজকের পত্রিকার সাংবাদিক অরুপ কুমার রায়ের করা এক রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি কাজি জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সারাহ হোসেন, ব্যারিস্টার নিশাত মাহমুদ ও অ্যাডভোকেট রুহি নাজ।

প্রায় এক বছর দেশে কোন তথ্য কমিশনার নেই বলে জানান আইনজীবী। এমন প্রেক্ষাপটে রিটকারি কয়েকটি অভিযোগ নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আটকে থাকায় তিনি রিটটি করেন।

উল্লেখ্য, জুলাই আন্দোলনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গত ৫ সেপ্টেম্বর প্রধান তথ্য কমিশনার আবদুল মালেক ও তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুক পদত্যাগ করেন। এর পরেই কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে তথ্য কমিশন। গত ২০ জানুয়ারি সরকার তথ্য কমিশনার মাসুদা ভাট্টিকে অপসারণ করলে তথ্য কমিশন শূণ্য হয়ে পড়ে। অকার্যকর হয়েপড়ায় কমিশনে প্রতিনিয়ত জমা হওয়া অভিযোগগুলো নিষ্পত্তি হচ্ছে না।

তথ্য অধিকার আইন অনুসারে তথ্য প্রাপ্তি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি সর্বোচ্চ সংস্থা তথ্য কমিশন। আইন অনুসারে কমিশনের একজন প্রধান তথ্য কমিশনার ও দুজন কমিশনার থাকবেন, কমিশনারদের মধ্যে অন্তত একজন নারী হতে হবে। আইন অনুসারে সরকার নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসারে প্রতিটি পদের বিপরীতে দুইজনের নাম মহামান্য রাষ্ট্রপ্রতির কাছে প্রস্তাব করেন এবং রাষ্ট্রপতি চূড়ান্ত নিয়োগ দেন।

আইনজীবিরা বলেন, প্রধান তথ্য কমিশনার ও কমিশনারগণের নিয়োগের জন্য বাছাই কমিটি গঠন, কমিটির সভা আয়োজন ও কমিশনারগণের নাম প্রস্তাবসহ অন্যান্য সাচিবিক সহায়তা সরকারের পক্ষে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রণালয় করে থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category