• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দৌলতপুরে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ৩ সন্তানের জননী টগরী আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হওয়ায় মেহেরপুর বিজেপির শুভেচ্ছা মেহেরপুরে বেকারি ও বিরানি কারখানায় যৌথ অভিযানে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা মেহেরপুরে যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় শুনে জ্ঞান হারালেন ধর্ষণ মামলার আসামী গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন

জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেকের বিরুদ্ধে শ্রমিকের মজুরী না দেওয়ার অভিযোগ

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৪
আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেকের বিরুদ্ধে শ্রমিকের মজুরী না দেওয়ার অভিযোগ
আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেকের বিরুদ্ধে শ্রমিকের মজুরী না দেওয়ার অভিযোগ

ঠিকাদারী কাজের নির্মাণ শ্রমিকদের পাওনা প্রায় ৮ লাখ টাকা পরিশোধ করেননি মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এমএ খালেক।

ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ঢালায় কাজে ব্যবহৃত সার্টারিং ভাড়া ও ৬ বছর যাবৎ শ্রমিকদের এই মজুরী প্রদান না করায় অবশেষে আদালতের দারস্ত হয়েছেন শ্রমিক সর্দার গাংনীর নিত্যানন্দপুর গ্রামের বাহারুল ইসলাম। বিজ্ঞ আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে গাংনী থানাকে তদন্তের আদেশ দেন। তবে এমএ খালেক একটি সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় জেল হাজতে রয়েছেন।

জানা গেছে, গাংনী এলজিইডি থেকে টেন্ডারের মাধ্যমে এমএ খালেকের সাথে ২০১৬ সালে গাংনীর নবীনপুর ও করমদি মাঠপাড়া দুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্মানকাজের চুক্তি হয়। সেময় নবীনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনটির প্রথম তলা নির্মাণকাজ শেষ হবার পর সিঁড়ি ধ্বসের ঘটনা ঘটে।

একই সময়ে করমদি মাঠ পাড়ার বিদ্যালয় ভবনের কাজ সাময়িক বন্ধ রাখার আদেশ দেন এমএ খালেক। ফলে নবীনপুর ও করমদি বিদ্যালয়ের ছাদ ও সিঁড়ির কাজে ভাড়ায় আনা সার্টারিং আটকে যায়। পরে এমএ খালেক সার্টারিংয়ের ভাড়া বাবদ প্রতিমাসে ৩৮ হাজার টাকা করে ১৬ মাস ১৭ দিনের ভাড়া হিসেবে ৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা পরিশোধে অঙ্গিকার করেন।

এদিকে শ্রমিকদের পাওনা সাড়ে ৭ লাখ টাকার মধ্যে তিনি পরিশোধ করেন ৫ লাখ ৮১ হাজার টাকা। শ্রমিকদের মজুরী এক লাখ ৬৯ হাজার টাকা ও সার্টারিংয়ের ৬লাখ ২৭ হাজার টাকা এমএ খালেক পরিশোধ করেন নি। বারবার টাকা চাইলেও তিনি পরিশোধ না করে তালবাহানা করতে থাকেন। একপর্যায়ে নানা ধরনের হুমকী ধামকী প্রদান করে টাকা পরিশোধে অস্বীকৃতি জানান।

এক প্রকার বাধ্য হয়ে শ্রমিক সর্দার বাহারুল ইসলাম গত ৩১ অক্টোবর মোকাম বিজ্ঞ আমলী আদালত গাংনী বরাবর একটি অভিযোগ করেন যার নং-সিআর ৮৬/২০২৪, ধারা-৪০৬/৪২০/৫০৬(২)দঃবিঃ। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য গাংনী থানাকে আদেশ দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হাফিজুর রহমান জানান, আদালতের আদেশে তিনি অভিযোগটি তদন্ত করছেন। ইতোমধ্যে বাদীকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পেশ করতে বলা হয়েছে। সে আলোকে তিনি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

এমএ খালেক সন্ত্রাস বিরোধী একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে মেহেরপুর জেল হাজতে থাকায় অভিযোগের ব্যাপারে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category