• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : সোমবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৩
মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় মাদক বিক্রেতা ঝন্টু ও তার বাহিনীর দফায় দফায় হামলা ও নির্যাতন থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলনের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন ঝন্টু বিশ্বাস।

সোমবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে কুলবাড়িয়া বাজার প্রাঙ্গণে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ঝন্টু বিশ্বাস বলেন, আমার চাচাত ভাই সোহেল রানা সংবাদ সম্মেলন করে আমার নামে যে অভিযোগ উত্থাপন করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তাদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাটের যে অভিযোগ সেটিও বানোয়াট।আমার আপন ছোট চাচা ও চাচাতো ভাইদের সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনে শত্রুতার জের ধরে ঝগড়া বিবাদের ঘটনা ঘটেছে।

জমিজমার সঠিক বন্টন না হওয়ার কারণে তারা প্রায় ২৫ বছর ধরে বিভিন্ন সময় আমার নামে মামলা হামলা চালিয়ে আসছে। তাদের কারণে আমার মায়ের অকাল মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনার দিন আমার ভাইয়ের ছেলে তার বাড়ির সামনে দিয়ে আসছিলো। তাদের একটি জমির উপর দিয়ে গাড়ি নিয়ে যাওয়ার কারণে তাকে বেধড়ক মারধর করে তারা। তাকে তাদের পরিবারে ৬ জন মিলে অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তাদের সাথে আমাদের মারামারির ঘটনা ঘটে। তারা আমাদেরকেও হামলা করে জখম করেছে। আমাদের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে সেলাই হয়েছে।

এঘটনায় আমার ভাইয়ের ছেলে তোফায়েল যার বয়স ১৫ বছর। সে কুলবাড়িয়া মাদ্রাসার দশম শ্রেণীর ছাত্র। তার টেস্ট পরীক্ষা চলছে অথচ তারা তার নামেও মামলা করতে ছাড় দেয়নি। তাদের করা মামলায় বর্তমানে আমার ভাইয়ের ছেলে যশোর কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। তাছাড়া তারা একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যর নামেও মামলা করেছে।

তারা আমাকে মাদক ব্যবসায়ী আখ্যায়িত করেছে। আমি নাকি পুলিশ প্রশাসনকে টাকা দিয়ে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে থাকি। আমি একজন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ। আমার ইম পাওয়ারর্স ফাউন্ডেশন নামের একটি এনজিও আছে। যা সরকার অনুমোদিত। এই এনজিওর মাধ্যমে ঋণ প্রোগ্রাম, গণশিক্ষা, শিশু শিক্ষা, দুস্থ মানুষের চিকিৎসাসহ মেহেরপুর জেলা সহ সারা বাংলাদেশে আমাদের কার্যক্রম চলমান আছে।

আমি অনুরোধ করবো আপনারা সরেজমিন আসেন, আমার মাদক ব্যবসা, মাদক সেবন ও হামলার ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে যান। প্রশাসনের নিকট আমার আবেদন বিষয়টি সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category