চুয়াডাঙ্গা দর্শনা থানার নাস্তিপুর গ্রামের মিরাজ আলি (১৮) নামে এক যুবক স্বর্ণ কোমরে বেঁধে সীমান্তের ওপারে যাওয়ার উদ্দেশে নদীতে লাফ দিয়ে প্রায় দু ঘণ্টা নিখোঁজ হন। দু ঘণ্টা পর স্থানীয় ঘাট মোড়ে লাশটি ভেসে উঠলে গ্রামবাসী উদ্ধার করে ডাঙ্গায় তোলে।
রোববার (৮ অক্টবর) সন্ধ্যায় এ ঘটনাটি ঘটে। মিরাজ আলি দর্শনা থানার নাস্তিপুর গ্রামের ইয়াসিন আলির ছেলে।
পুলিশ ও গ্রামবাসী সূত্রে জানাগেছে, মিরাজ বিকেলের দিকে সহকর্মীদের নিয়ে নাস্তিপুর ঘাটের কাছে অপেক্ষা করতে থাকেন। সুযোগ বুঝে মেরাজ তার মাজায় সেট করা মালামাল (স্বর্ণের বার) নিয়ে সীমান্তের ওপারে যাওয়ার উদ্দেশে নদীতে লাফ দেয়।
গ্রামবাসীরা জানান ১৭ থেকে ১৮ বছর বয়সি ছেলে মালামালের (স্বর্ণের বার) বেশি ওজনের কারণে আর উঠতে না পেরে নিখোঁজ হন। পরে তার সহকর্মীরা বাড়িতে খবর দিলে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়।
বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গ্রামের ঘাট মোড়ে লাশ ভেসে উঠে। লাশ ডাঙ্গায় তোলার পরপরই স্থানীয় ক্যাম্পের বিজিবি-ও দর্শনা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়। পরে তার মাজায় বিশেষ ব্যবস্থায় বাধা স্বর্ণের বার উদ্ধার করে উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বার ১০ (দশ) কেজি। ছোট বড় মিলিয়ে বার সংখ্যা-৬৮ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।
এঘটনার তদন্তকারি কর্মকর্তা দর্শনা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আব্দুর রহমান জানিয়েছেন বিভিন্ন সাইজের ৬৮টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়ন বিজিবি অধিনায় লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু সাঈদ মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এবং যে স্বর্ণ পাওয়া গেছে সেগুলো ব্যাটালিয়নে নিয়ে ওজন না করে সঠিক ভাবে বলা যাবে না। দর্শনা পুলিশ সন্ধ্যা ৬টার দিকে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা মর্গে প্রেরণ করে। ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।