• রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হওয়ায় মেহেরপুর বিজেপির শুভেচ্ছা মেহেরপুরে বেকারি ও বিরানি কারখানায় যৌথ অভিযানে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা মেহেরপুরে যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় শুনে জ্ঞান হারালেন ধর্ষণ মামলার আসামী গাংনীতে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু

গাংনীর আদম ব্যবসায়ী সোহরাব কারাগারে

Reporter Name
Update : রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩
গাংনীর আদম ব্যবসায়ী সোহরাব কারাগারে
গাংনীর আদম ব্যবসায়ী সোহরাব কারাগারে

প্রতারণার দায়ে মেহেরপুরের গাংনীর আদম ব্যবসায়ী সোহরাবকে (৪৭) জেল হাজতে পাঠিয়েছে মেহেরপুর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২ (গাংনী) আমলি আদালতের বিচারক তারিক হাসান।

রবিবার (২৮মে) দুপুরে তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। সোহরার গোপালনগর গ্রামের (বর্তমান ঠিকান- গাংনী ডিগ্রী কলেজ পাড়া) মৃত: ছমির উদ্দিনের ছেলে।

মামলার বিবরণী জানা যায়, গত ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসের ৩০ তারিখে রহিদুল ইসলাম খোকনের ছেলে সবুজ আহমেদকে সৌদি আরবে পাঠানোর জন্য চার লক্ষ ১০ হাজার টাকা চুক্তিবদ্ধ হন। সৌদি আরবে পাঠানোর পর কোন প্রকার আকামা না দেওয়ায় মানবতার জীবনযাপন শুরু করে সবুজ আহমেদ। আকামা দেওয়ার নাম করে সবুজের কাছে থেকে দুই লাখ টাকা নেন সোহরার।

১৩ মাস অবৈধ থাকার পর সবুজ কে গ্রেপ্তার করে সৌদি পুলিশ।সেখানে আরবে ১৫ দিন পর জেল খাটানোর পর তাকে দেশে ফেরত পাঠায় সৌদি সরকার। সবুজের বাবা বাদী হয়ে মেহেরপুর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২ আদালতে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনের ৪২০/৪০৬/৫০৬(খ) ধারায় মামলা দায়ের করেন। যার নং- সি আর- ৭০৬/২০২২, তারিখ, ২৫/১০/২০২২ ইং।

সবুজের বাবা রহিদুল ইসলাম খোকন জানান, আদম ব্যবসায়ী সোহরাব আমার ছেলে সবুজকে ফ্রি ভিসায় সৌদি আরবে পাঠানোর জন্য আমার কাছ থেকে চার লাখ ১০ হাজার টাকার নেন। এক বছরের মধ্যে আমার ছেলের প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র করে দেবেন বলে তাকে সৌদি আরবে পাঠান। কিন্তু সেটি না করে দিয়েই আমাকে হুমকি, ধামকি ও ভয় ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক আরও দুই লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না করতে পারায় সৌদি পুলিশ আমার ছেলেকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেন।

রহিদুল ইসলাম খোকনের কৌশলী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম জানান, আপস মীমাংসার কথা বলে সোহরাব আদালত থেকে জামিন গ্রহণ করেন। আদালতের শর্ত পূরণ না করায় বিজ্ঞ বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category