• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার গাংনীতে উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ের নিচে ব্যাগ দেখে বোমা আতঙ্ক: ব্যাগে মিলল গমের ময়দা গাংনীতে সার বহনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে চালকের জরিমানা মুজিবনগরে অনলাইন জুয়ার এজেন্ট শামীম গ্রেফতার নড়াইলে ৯ কার্যদিবসে ৫ বছরের শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ঘাতকের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

মেহেরপুরে নিখোঁজের সাত দিন পর বাড়ির পাশ থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
মেহেরপুরে নিখোঁজের সাত দিন পর বাড়ির পাশ থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার
মেহেরপুরে নিখোঁজের সাত দিন পর বাড়ির পাশ থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের সাত দিন পর মেহেরপুর শহরের ক্যাশ্যবপাড়া থেকে সুরাইয়া নাসরিন টগর (৩৪) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত ৩০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সে বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর থেকেই তার আর সন্ধান পায়নি পরিবার।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাড়ির অদূরে টিন দিয়ে ঘেরা পরিত্যাক্ত স্থান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। থানায় সাধারণ ডাইরি করেও কোন তথ্য দিতে পারেনি পুলিশ অভিযোগ পরিবারের। তবে তাকে হত্যা করে এখানে ফেলে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

নিহতের স্বামী শফিউজ্জামান সেন্টু জানান, তিনি গাংনী উপজেলা গাড়াডোব গ্রামে আশা এনজিওতে চাকুরি করেন। ৩০ ডিসেম্বর একটি ফোনকল পেয়ে তার স্ত্রী বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। বিষয়টি তার ছেলে তাকে অবগত করেন। গভীর রাত পর্যন্ত খোঁজা্খুজি করে তাকে না পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে অবগত করেন। পরদিন রাত পর্যন্ত তার স্ত্রী বাড়ি না ফেরায় সদর থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করেন তিনি। কিন্তু গত ৭ দিন ধরে সন্ধান দেওয়াতো দূরের কথা কোন খোঁজখবরই দিতে পারেননি পুলিশ।

এদিকে নিহতের ভাগ্নে সাইফুল ইসলাম টুটল অভিযোগ করে বলেন, সন্দেহভাজন তিনজনের নাম পুলিশকে দেওয়া হয়। এমনকি তাদের কথোপোকথনের কিছু গোপন চ্যাট লিস্ট সরবরাহ করেন তিনি নিজেই। তারপরও গুরত্বের সাথে বিষয়টি পুলিশ দেখেনি বলে অভিযোগ তার।

তিনি আরো বলেন, তার খালু সেন্টু তিন বছর আগে গাংনী উপজেলার তেঁতুল বাড়িয়া গ্রামের আশা এনজিওতে চাকুরি করতেন। এ সময় এক ইউপি সদসের সাথে সুরাইয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এছাড়াও শহরের আরো দু’জনের সাথে মুঠোফোনে কথা বলতো তার খালা। বাড়ি থেকে বের হবার আগেও এই তিনজনের সাথে মুঠোফোনে নিয়মিত কথা বলেছেন। তারপরও পুলিশ তাদের সন্দেহের তালিকায় রাখেননি।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবীর জানান, সাধারণ ডাইরি লিপিবদ্ধ হবার পর থেকেই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখেছে পুলিশ। এমনকি তার কললিস্ট সহ বেশ কয়েকটি সূত্র ধরে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। দ্রুত হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category