• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শীর্ষ সন্ত্রাসী গাংনীর পিচ্চি হোসেন গ্রেফতার- দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার গাংনীতে বালাইনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে গাংনী সীমান্তে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য জব্দ শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মেহেরপুর জেলা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটিকে মাসুদ অরুণের অভিনন্দন মেহেরপুরে নছিমন-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার গাংনীতে উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ের নিচে ব্যাগ দেখে বোমা আতঙ্ক: ব্যাগে মিলল গমের ময়দা

মেহেরপুর সরকারী কলেজে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৫
মেহেরপুর সরকারী কলেজে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত
মেহেরপুর সরকারী কলেজে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

গ্রাম বাংলার হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে মেহেরপুর সরকারী কলেজ প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে তারুন্যের মেলা ও পিঠা উৎসব। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার দিকে মেলার উদ্বোধন করেন মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ডঃ শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার। উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডঃ এ.কে.এম নজরুল কবীর।
পিঠা উৎসবে গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া পিঠা তৈরি করে হাজির হন কলেজের শিক্ষার্থীরা। যেসব পিঠার নাম আগে থেকে জানতেননা তারা। বাড়ির দাদি, নানি, মা ও ভাবীদের সহায়তায় পিঠা তৈরি করে নিয়ে আসেন তারা। সাথে যুক্ত করেছেন আধুনিক সব পিঠা। ২০ টি স্টলে পিঠার পসরা সাজিয়ে বসেন শিক্ষার্থীরা। তরুণ প্রজন্ম সকাল থেকেই ভিড় জমান পিঠা উৎসবে। পরিচিত হন নতুন ও পুরাতন হরেক রকমের পিঠার সাথে।
পিঠা উৎসবের আয়োজনে খুশি শিক্ষার্থীরা। বলছেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণ প্রজন্মকে আরো উদ্যমী করে গড়ে তুলবে, পড়ালেখার পাশপাশি অনেকই উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠার স্বপ্ন দেখবেন।
মেহেরপুর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষণ ডঃ এ.কে.এম নজরুল কবীর বলেন, হারিয়ে যাওয়া সব পিঠা পুলির সাথে তরুণদের পরিচয় করিয়ে দিতে এ পিঠা উৎসবের আয়োজন। এতে পুরনো সব ঐতিহ্য শিক্ষার্থীদের মনে দোলা দেবে। সাথে দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হবেন তরুণরা।
মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ডঃ মোহাম্মদ বখতিয়ার বলেন, কোন একটি জাতির পরিচয় তার সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায়। বিশ্বের সব দেশের মানুষ তাদের সংস্কৃতি ধরে রাখার জন্য চেষ্টা করে। এর আগেও আমাদের এ দেশে এ ঐতিহ্য ধরের রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এখন বেশি বেশি করে করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে আমরা গ্রাম বাংলার যে ঐতিহ্যের সাথে বড় হয়েছি, সেই ঐতিহ্যগুলো উঠে আসবে। এতে আমাদের অর্থনীতিও অনেক সৃমদ্ধ হবে।
তিনি আরো বলেন, হারিয়ে যাওয়া অনেক ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও খাবার রয়েছে এ অঞ্চলে। সেগুলো আজ বিলুপ্তির পথে। এ অঞ্চলে একটি যাদুঘর গড়ে উঠলে হারিয়ে যাওয়া সব ঐতিহ্যগুলো সংরক্ষিত হবে। আগামী প্রজন্ম আমাদের সংস্কৃতিগুলো লালন করে বেড়ে উঠবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category