কুষ্টিয়ায় ঈদের দিন থেকে বিনোদন ও পর্যটন কেন্দ্রগুলি এখনও দর্শনার্থীতে পূর্ণ। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে তারা বিনোদন ও পর্যটন কেন্দ্রগুলি ঘুরে উপভোগ করছেন ঈদের আনন্দ। এর ফলে বেড়েছে বিনোদন ও পর্যটন কেন্দ্রের আয়ও।
ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। তাই ঈদের আনন্দ ও খুশি ভাগাভাগি করতে কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আবার কেউ প্রিয়জনকে সাথে নিয়ে ঘুরছেন কুষ্টিয়ার বিনোদন ও পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে। ফলে ঈদের দিন বিকেল থেকে প্রতিটি বিনোদন ও পর্যটন কেন্দ্রে বেড়েছে দর্শনার্থীদের ভিড়। এতে খুশি পরিবারের সদস্য ও প্রিয়জনরাও। জেলা ও জেলার বাইরে থেকেও ছুটে আসছেন দর্শনার্থীরা এসব বিনোদন ও পর্যটন কেন্দ্রে। তারা ঘুরে দেখছেন ও জানছেন জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য। কেউ যাচ্ছেন শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে আবার কেউ যাচ্ছে ভাবসাধক ফকির লালন সাঁইয়ের আখড়াবাড়িতে আবার কেউ পদ্মাপাড়ে কেউ বিনোদন পার্কে। যা দর্শনার্থীদের ঈদ আনন্দের বাড়তি মাত্রা যোগ হচ্ছে। ঈদের আনন্দে সামিল হয়ে বাড়তি আয়ের সুযোগ হয়েছে মেলায় পসরা সাজিয়ে পণ্য বিক্রেতাদেরও। ভোক্তাদের খুশিতে তারাও খুশি।
ঈদ মৌসুমে বিনোদন কেন্দ্রগুলিতে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ায় বেড়েছে তাদের আয়ও। দর্শনার্থীদের ঈদের আনন্দ দিতে পেরে তারাও খুশি বলে জানিয়েছেন মনি পার্ক বিনোদন কেন্দ্রের ম্যানেজার জুয়েল আহমেদ।
বছর ঘুরে ঈদ সকলের জন্য খুশির বার্তা বয়ে আনে। তাই খুশি ও আনন্দে মেতে উঠেন সকলে। ঈদের আনন্দ সবার ঘরে পৌঁছাক এমনই প্রত্যাশা সকলের।
ঈদকে ঘিরে দর্শনার্থীদের কোন জান মালের ক্ষতি না হয় সে বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যাবস্থা। পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে দেখা গেছে টুরিস্ট পুলিশের টহল।