২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশা গড়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। এ লক্ষ্যের জন্য সরকারের নবম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা অত্যান্ত জরুরী। শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে মেহেরপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদে উদ্দেশ্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন তিনি।
বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, সরকারী দপ্তরের প্রতিটি বিভাগের এপিআই আছে। আমরা যথাযথভাবে এপিআই মূল্যায়ন করছি। সরকারি কর্মকর্তাদের কাজের অনুকুল পরিবেশ তৈরী করে দিয়েছি। এপিআই মূল্যায়নে মেহেরপুর জেলার সকল সরকারি কার্যালয় সবার সেরা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় এ সংবর্ধার আয়োজন করে মেহেরপুর জেলা প্রশাসন।
বক্তব্যে জনপ্রশাসনমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ে আমার ব্যক্তিগত কোন এজেন্ডা নাই। সব কাজ দেশের জন্য মানুষের জন্য, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য। দ্বিতীয়ত হচ্চে-আমি যে কাজটি করি সেটি শতভাগ নিষ্ঠার সাথে করার চেস্টা করি। আমাদের পিতারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন আমাদেরকে ভাল রাখার জন্য। অনেক মুক্তিযোদ্ধা জীবন দিয়েছেন যাতে একটি উন্নত দেশে আমাদের সন্তানেরা মাথা উচু করে চলতে পারে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আমার প্রধান কাজ হচ্ছে দেশকে এগিয়ে নেওয়া।
সরকারি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে সরকারি কর্মকর্তা কর্মকর্তাদের প্রতি নানা দিক নির্দেশনা দিয়ে তিনি আরও বলেন, আজকের এই বাংলাদেশ এবং ১৫ বছর আগের বাংলাদেশ এক নয়। আজকের বাংলাদেশ এগিয়ে যাওয়ার বাংলাদেশ। আমাদের অনুপ্রেরণা আর দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অদম্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তাই এই পাঁচটি বছর অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। উন্নত সুখী সুন্দর বাংলাদেশর জন্য সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব সফলভাবে পালন করে দৃষ্টান্ত স্থাপনের আহবান জানান মন্ত্রী।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন মেহেরপুর জেলা প্রশাসক শামীম হাসান। মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি রবিউল ইসলাম, মেহেরপুর পুলিশ সুপার এসএম নাজমুল হকসহ জেলার সকল সরকারি দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
গেল সরকারের জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালনের পর এবার মন্ত্রী সভায় পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন।