ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে ড্রাগন চাষে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন আঃ আল ফয়সাল জন নামের এক যুবক। তার দেখাদেখি অনেকই এখন এই চাষে ঝুঁকছেন।
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলা র ভবাণীপুর গ্রামের ড্রাগন ফলচাষি আঃ আল ফয়সাল জন। আঃ আল ফয়সাল জন উপজেলার ৩ নং তাহেরহুদা ইউনিয়নের ভবাণীপুর গ্রামের বদরুদ্দিন মোল্লার ছেলে।
মাত্র ৮০ শতাংশ জমিতে ৬০০ ড্রাগনের চারা লাগিয়ে তার যাত্রা শুরু, ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকার ড্রাগন ফল বিক্রি করেছেন এবং লক্ষাধিক টাকার ফল গাছে আছে বলে জানান তিনি। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ফলপ্রেমী ও সৌখিন ড্রাগন চাষিদের জন্য তিনি ফল ও চারা সরবরাহ করছেন।
আর এই ড্রাগন চাষেই নিজে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি নিজের উপজেলায় ড্রাগন চাষের বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে অনন্য অবদান রাখছেন আঃ আল ফয়সাল জন।
জন বলেন, লেখাপড়া খুব বেশি করা হইনি। তাই ইচ্ছা ছিলো বাবার যেখানে যেখানে ফাকা জমি আছে সেখানে চাষ করবো, বেশ কিছু বছর ধরে আমি চার বিঘার উপর আমের চাষ করে আসছি, আমে মোটামোটি ভালো টাকা ইনকামও করেছি কিন্তু ইদানিং ফেইজবু, ইউটিউব খুললেই দেখি ড্রাগন চাষ, তাই আমিও আমের বাগান কেটে উদ্যোগ নিলাম ড্রাগন চাষ কিভাবে করা যাই, তখন থেকে মোবাইলের স্কিনে ড্রাগন চাষের ভিডিও গুলো দেখে বিভিন্ন মাধ্যমে চারা ক্রয় করে ড্রাগন চাষ শুরু করলাম । আমাদের এলাকাতে মুল চাষ পানের। এই পান চাষের পাশাপাশি ড্রাগন চাষ করা । আমি মনে করি ড্রাগন চাষে ক্রমান্বয়ে লাভের মুখ দেখতে পাবো, এবং আগামীতে জমির পরিমানটা আরেকটু বাড়িয়ে ড্রাগন চাষ শুরু করবো।
ফয়সাল জন বলেন, তার ক্ষেতের এক একটি ড্রাগন ফল ৩/৪শ গ্রাম পর্যন্ত ওজনের হয়। বাগান থেকে প্রতি কেজি ড্রাগন ২শ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি করেন। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ তার ড্রাগন বাগান দেখতে এসে ড্রাগন ফল কিনে নেন।