নিহতের ভাই মামুন হোসেন জানান, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শহরের শংকরপুর রেলস্টেশন এলাকার স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতির অফিসের সামনে দুর্বুত্তরা জুম্মানকে ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম করেন। স্থানীয়রা উদ্ধার রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে।
এদিকে, জুম্মানের মৃত্যুর খবর পেয়ে তার স্বজনরা যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভিড় করেন। এসময় স্বজনদের আহাজারিতে গোটা এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক হাসিব মো. আলী হাসান জানান, হাসপাতালে আনার আগেই জুম্মানের মৃত্যু হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।
যশোর ডিবি পুলিশের ওসি রুপান কুমার সরকার জানান, দুর্বৃত্তরা জুম্মানকে কুপিয়ে জখম করার পর স্থানীয়রা তাকে যশোর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে আনার পর জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘নিহত জুম্মানের বিরুদ্ধে থানায় মাদক, ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ ১৫টির মতো মামলা রয়েছে। এলাকায় সন্ত্রাসীদের তালিকায় তার নাম রয়েছে। যে কোনো একটি পক্ষের হাতে সে খুন হতে পারে বলে ধারণা করছি। এই ঘটনায় জড়িতদের আটকের ব্যাপারে অভিযান শুরু হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন বলেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভির ফুটেজ আমরা সংগ্রহ করেছি। বেশকিছু ক্লু পেয়েছি। এগুলো যাচাই বাছাই চলছে। শিগগিরই রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।