মেহেরপুর সরকারী মহিলা কলেজে স্নাতক (পাস), স্নাতক (সম্মান) ও একাদশ শ্রেণীর নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে কলেজ চত্বরে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর আবদুল্লাহ আল আমিনের সভাপতিত্বে এবং গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডঃ সারোয়ার হোসেন ও ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক রেক্সোনা খাতুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডঃ এ কে এম নজরুল কবীর।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন নবীনবরণ উৎযাপন কমিটির আহবায়ক বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক কাজী আশরাফুল আলম, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ও অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল হামিদ, মেহেরপুর সরকারী কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক খেজমত আলী মালিথা, মেহেরপুর সরকারী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক খসরু ইসলাম,সরকারী মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মিরাজ উদ্দীন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা যুগ্ম সদস্য সচিব ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হোসনে আরাসহ কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
নবীন শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেয়া হয়। এছাড়া শিক্ষা ক্যাডার থেকে যোগদান করা শিক্ষকদের ও বরণ করে নেয়া হয়। সার্বিক শৃঙ্খলায় কলেজের বিএনসিসি ও গার্ল ইন রোভার স্কাউটস গ্রুপের সদস্যরা সক্রিয় ভুমিকা পালন করেছিলো।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেহেরপুর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নজরুল কবীর বলেন, শিক্ষাকে আনন্দময় করতে সহপাঠ্য হিসেবে শিক্ষার্থীদের পাঠে মনোযোগী ও আকর্ষনীয় করতে এবং শিক্ষায় আগ্রহী করতে এ জাতীয় অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।
শিক্ষাকে আনন্দময় করে তুলতে শিক্ষার্থীদের পাঠে আগ্রহী করতে এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিতে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, শিক্ষার কোন শর্টকাট পদ্বতি নাই। অনুশীলন ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষার্থীদের সাফল্য আমাদের গর্ব, এবং আমাদের আনন্দ দেয়। সুন্দর বাংলাদেশ গঠনে, রাস্ট্র ও সমাজের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সবাইকে লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগী হওয়ার আহবান জানান।
তিনি জানান শিক্ষাকে উপভোগ করতে হবে। সত্যিকারের মানবিক মানুষ হওয়ার আহবান জানান শিক্ষার্থীদের মেহেরপুর মহিলা কলেজের লেখাপড়াসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের ভুয়সী প্রশংসা করেন। সবশেষে তিনি শিক্ষকদের আরও আন্তরিকতার ও দায়িত্বশীলতার সাথে পাঠদান করার আহবান জানান।
দ্বিতীয় পর্বে কলেজের শিক্ষার্থীদের নাচ, গান, কবিতা আবৃতিসহ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।