• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
২৯২ বোতল ফেন্সিডিল মামলায় মিনারুলের ১০ বছর কারাদণ্ড বিশ্ব স্থানীয়করণ দিবসে অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষায় স্থানীয়করণের দাবি গাংনীর তপন হত্যা মামলার পলাতক আসামি মন্টু শাহ গ্রেফতার গাংনীতে দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়ে ছাই হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ীর স্বপ্ন মেহেরপুরে ৩৫০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক-২ ইসলামনগর মৌজায় অন্তর্ভুক্তি বাতিলের দাবিতে বাহাগুন্দা গ্রামবাসীর বিক্ষোভ গাড়াবাড়িয়ায় বিএনপি নেতার নাম ভাঙিয়ে জমি দখল, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ মেহেরপুর সীমান্তে ৪ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি’র প্রতিরোধ মেহেরপুরে পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর বিশ্বাসের জন্মদিন পালিত মেহেরপুরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

মেহেরপুরে শ্বশুর হত্যার দায়ে জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫
মেহেরপুরে শ্বশুর হত্যার দায়ে জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
মেহেরপুরে শ্বশুর হত্যার দায়ে জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মেহেরপুরে শ্বশুর নুরুল ইসলামকে হত্যা করার দায়ে জামাতা আলমগীর হোসেনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত আলমগীর হোসেন মেহেরপুর সদর উপজেলার রামনগর কলোনিপাড়া গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম নাসিম রেজা এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ১৮ জানুয়ারি আলমগীরের সঙ্গে রামনগর কলোনিপাড়ার নুরুল ইসলামের মেয়ে বুলবুলি খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর আলমগীর তার স্ত্রীর কাছে দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। পরে ৭০ হাজার টাকা যৌতুক দেওয়া হলেও নির্যাতন অব্যাহত থাকে। ওই ঘটনায় আলমগীরের বিরুদ্ধে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধিত-০৩)৷ এর ১১(খ) ৩০ ধারা একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আলমগীরকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়।

পরে ২০১৬ সালের ১৮ জানুয়ারি জেল থেকে মুক্তি পেয়ে আলমগীর তার শ্বশুর নুরুল ইসলামের বাড়ির সামনে গিয়ে গালাগালি শুরু করেন। তাকে গালাগালি করতে নিষেধ করাই উত্তেজিত হয়ে নুরুল ইসলামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার শশুর নুরুল ইসলামকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।

আহত অবস্থায় স্থানীয়রা নুরুল ইসলামকে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার অবস্থা অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ওই ঘটনায় মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী হাসেনা খাতুন বাদী হয়ে আলমগীর হোসেন, আলমগীর হোসেনের পিতা সোহরাব আলী, মাতা রোকেয়া খাতুন ও সদুল এর বিরুদ্ধে দঃবিঃ ৩৪১/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৩৫৪/৫০৬ ধারায় মেহেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ২১। জি আর কেস নং ২৬/১৬। এস সি নং ১৯৩/১৬।

ঐ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রাথমিক তদন্ত শেষে আদালতে চার্জসিট দাখিল করেন। চার্জশিটে মামলাটি ৩৪১/৩৫৪/৫০৬/৩০২/৩৪ ধারা যুক্ত হয়। মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন।

সাক্ষীদের সাক্ষে আসামি আলমগীর হোসেনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিডিউটর এস এম সাইদুল রাজ্জাক টোটন এবং আসামী পক্ষে অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান কৌশলী ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category